ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

‘সেভ আমেরিকা’ ভোটিং বিল পাসে তারাহুরো ট্রাম্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • / 158

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোটদান বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আনতে রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের ওপর চাপ দিচ্ছেন। সমালোচকদের মতে, নির্বাচনি নিরাপত্তার নামে আসলে লাখ লাখ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয় এড়ানোই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল ইতোমধ্যে ‘সেফগার্ড আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি’ (সেভ) আমেরিকা আইনের একটি সংস্করণ পাস করেছে। তবে উচ্চকক্ষ সিনেটে বিলটি বড় বাধার মুখে পড়েছে। কারণ সেখানে ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতা কাটিয়ে বিলটি পাস করানোর মতো প্রয়োজনীয় ভোট রিপাবলিকানদের নেই।

তবু ট্রাম্প বিলটিকে তার রাজনৈতিক এজেন্ডার কেন্দ্রে রেখেছেন। নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগেই বিলটি পাস করাতে আইনপ্রণেতাদের তাগিদ দিচ্ছেন তিনি। ওই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে তার এজেন্ডা আটকে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

আরও পড়ুন  পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের উত্তেজনা তুঙ্গে, নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া ট্রাম্প

এই আইন ও এর বিতর্ক নিয়ে একটি বিশদ চিত্র তুলে ধরা হলো।

সেভ আমেরিকা আইন কী?

এই বিল অনুযায়ী, ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার নিবন্ধনের সময় আমেরিকানদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে এবং ভোট দেওয়ার সময় পরিচয়পত্র উপস্থাপন করতে হবে।

আইনটির অধীনে ভোটারদের পাসপোর্ট বা জন্ম সনদের মতো নথিপত্র এবং ছবিসহ বৈধ পরিচয়পত্র দিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে তারা মার্কিন নাগরিক।
সমর্থকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ নির্বাচনের স্বচ্ছতায় জনআস্থা বাড়াবে।

সমালোচকদের যুক্তি, এতে লাখ লাখ যোগ্য ভোটার ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যারা সহজে এসব নথি সংগ্রহ করতে পারেন না।

কেন ট্রাম্প এত মরিয়া?

ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, কঠোর ভোটদান বিধিমালা না হলে নির্বাচনে জালিয়াতি ঠেকানো যাবে না। সোমবার হাউস রিপাবলিকানদের এক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এই আইন ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেবে’ এবং বিলটি পাস না হওয়া পর্যন্ত তিনি অন্য কোনো বিলে সই করবেন না।

তবে সমালোচকরা বলছেন, রাজনৈতিক হিসাব পরিষ্কার। তাদের মতে, কঠোর ভোটদান বিধি চালু হলে ঐতিহ্যগতভাবে ডেমোক্র্যাটপন্থি গোষ্ঠীগুলোর ভোটার উপস্থিতি কমবে। এতে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সহজ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘সেভ আমেরিকা’ ভোটিং বিল পাসে তারাহুরো ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০১:১১:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভোটদান বিধিমালায় বড় পরিবর্তন আনতে রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের ওপর চাপ দিচ্ছেন। সমালোচকদের মতে, নির্বাচনি নিরাপত্তার নামে আসলে লাখ লাখ মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করে মধ্যবর্তী নির্বাচনে পরাজয় এড়ানোই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

প্রতিনিধি পরিষদে ট্রাম্পের রিপাবলিকান দল ইতোমধ্যে ‘সেফগার্ড আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি’ (সেভ) আমেরিকা আইনের একটি সংস্করণ পাস করেছে। তবে উচ্চকক্ষ সিনেটে বিলটি বড় বাধার মুখে পড়েছে। কারণ সেখানে ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতা কাটিয়ে বিলটি পাস করানোর মতো প্রয়োজনীয় ভোট রিপাবলিকানদের নেই।

তবু ট্রাম্প বিলটিকে তার রাজনৈতিক এজেন্ডার কেন্দ্রে রেখেছেন। নভেম্বরের কংগ্রেস নির্বাচনের আগেই বিলটি পাস করাতে আইনপ্রণেতাদের তাগিদ দিচ্ছেন তিনি। ওই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে তার এজেন্ডা আটকে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

আরও পড়ুন  ইরানের সঙ্গে আলোচনায় গুরুত্ব পাবে পারমাণবিক অস্ত্র : ডোনাল্ড ট্রাম্প

এই আইন ও এর বিতর্ক নিয়ে একটি বিশদ চিত্র তুলে ধরা হলো।

সেভ আমেরিকা আইন কী?

এই বিল অনুযায়ী, ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার নিবন্ধনের সময় আমেরিকানদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে এবং ভোট দেওয়ার সময় পরিচয়পত্র উপস্থাপন করতে হবে।

আইনটির অধীনে ভোটারদের পাসপোর্ট বা জন্ম সনদের মতো নথিপত্র এবং ছবিসহ বৈধ পরিচয়পত্র দিয়ে প্রমাণ করতে হবে যে তারা মার্কিন নাগরিক।
সমর্থকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ নির্বাচনের স্বচ্ছতায় জনআস্থা বাড়াবে।

সমালোচকদের যুক্তি, এতে লাখ লাখ যোগ্য ভোটার ক্ষতিগ্রস্ত হবেন যারা সহজে এসব নথি সংগ্রহ করতে পারেন না।

কেন ট্রাম্প এত মরিয়া?

ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, কঠোর ভোটদান বিধিমালা না হলে নির্বাচনে জালিয়াতি ঠেকানো যাবে না। সোমবার হাউস রিপাবলিকানদের এক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, এই আইন ‘মধ্যবর্তী নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেবে’ এবং বিলটি পাস না হওয়া পর্যন্ত তিনি অন্য কোনো বিলে সই করবেন না।

তবে সমালোচকরা বলছেন, রাজনৈতিক হিসাব পরিষ্কার। তাদের মতে, কঠোর ভোটদান বিধি চালু হলে ঐতিহ্যগতভাবে ডেমোক্র্যাটপন্থি গোষ্ঠীগুলোর ভোটার উপস্থিতি কমবে। এতে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধরনের ক্ষতি এড়ানো সহজ হবে।