ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পশ্চিমা কোম্পানির জব্দ সম্পদ ফেরত দিতে পারে রাশিয়া

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ায় জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর সম্পদ অনুকূল পরিস্থিতিতে ফেরত দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বার্ষিক ভালদাই ফোরামে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর এএফপির।

ফোরামে পুতিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে রাশিয়ায় জব্দ করা বিদেশি কোম্পানিগুলোর সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, দেওয়া হবে।’

গত মাসে সুইজারল্যান্ডের খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নেসলে, ফ্রান্সের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওশাঁ, সাবেক লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন এবং জার্মান পাইকারি ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান মেট্রোর ব্যবসা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন পুতিন।

আরও পড়ুন  টেকনাফে ৩ লাখ টাকার মাছসহ অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জরিমানা ৬.৬৩ লাখ টাকা

রাশিয়ার সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনার জবাবে পুতিন বলেন, তার দেশ ‘কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না, চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না।’

তিনি বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানকে রাশিয়া বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে থাকে। তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশ কোনো নিয়মনীতি না মেনে রাশিয়ার বড় বড় প্রতিষ্ঠান দখল করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে রাশিয়ার শীর্ষ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম, রসনেফ্ট ও লুকঅয়েলের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন পুতিন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ সেনা পাঠানোর পর পশ্চিমা দেশগুলোর অধিকাংশ কোম্পানি রাশিয়ায় থাকা তাদের ব্যবসা ও শেয়ার দ্রুত বিক্রি করে দেয় অথবা সেগুলো থেকে নিজেদের সম্পৃক্ততা সরিয়ে নেয়। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ায় বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ায় তারা এ সিদ্ধান্ত নেয়।

অন্যদিকে, কিছু কোম্পানি কর্মী ও স্থানীয় নাগরিকদের স্বার্থ বিবেচনায় রাশিয়ায় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে অনেক প্রতিষ্ঠানই দেশটিতে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে।

এদিকে বিদেশি কোম্পানিগুলোর রাশিয়া ছাড়ার প্রক্রিয়াও কঠিন করে তোলে মস্কো। দেশটি থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চুক্তি সম্পাদনে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ সরাসরি জব্দও করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

পশ্চিমা কোম্পানির জব্দ সম্পদ ফেরত দিতে পারে রাশিয়া

আপডেট সময় ০২:৫৫:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

রাশিয়ায় জব্দ করা পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর সম্পদ অনুকূল পরিস্থিতিতে ফেরত দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বার্ষিক ভালদাই ফোরামে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। খবর এএফপির।

ফোরামে পুতিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে রাশিয়ায় জব্দ করা বিদেশি কোম্পানিগুলোর সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, দেওয়া হবে।’

গত মাসে সুইজারল্যান্ডের খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান নেসলে, ফ্রান্সের খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ওশাঁ, সাবেক লেরয় মারলিন ডিআইওয়াই চেইন এবং জার্মান পাইকারি ও খাদ্যপণ্য বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান মেট্রোর ব্যবসা ও সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেন পুতিন।

আরও পড়ুন  ইসরাইলের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বার্সেলোনা মেট্রো টেন্ডার থেকে বাদ পড়ল ফরাসি কোম্পানি

রাশিয়ার সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনার জবাবে পুতিন বলেন, তার দেশ ‘কারও কাছ থেকে কিছু নেয় না, চুরি করে না বা জাতীয়করণ করে না।’

তিনি বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানকে রাশিয়া বাহ্যিক ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে থাকে। তবে ইউরোপের কয়েকটি দেশ কোনো নিয়মনীতি না মেনে রাশিয়ার বড় বড় প্রতিষ্ঠান দখল করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে রাশিয়ার শীর্ষ তেল ও গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম, রসনেফ্ট ও লুকঅয়েলের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করেন পুতিন।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ সেনা পাঠানোর পর পশ্চিমা দেশগুলোর অধিকাংশ কোম্পানি রাশিয়ায় থাকা তাদের ব্যবসা ও শেয়ার দ্রুত বিক্রি করে দেয় অথবা সেগুলো থেকে নিজেদের সম্পৃক্ততা সরিয়ে নেয়। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ায় বিভিন্ন পণ্যের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়ায় তারা এ সিদ্ধান্ত নেয়।

অন্যদিকে, কিছু কোম্পানি কর্মী ও স্থানীয় নাগরিকদের স্বার্থ বিবেচনায় রাশিয়ায় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে অনেক প্রতিষ্ঠানই দেশটিতে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনে।

এদিকে বিদেশি কোম্পানিগুলোর রাশিয়া ছাড়ার প্রক্রিয়াও কঠিন করে তোলে মস্কো। দেশটি থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে চুক্তি সম্পাদনে প্রেসিডেন্টের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সম্পদ সরাসরি জব্দও করা হয়।