ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বাণিজ্য তদন্ত: বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের শুল্ক অস্থিরতার শঙ্কা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / 131

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক আগের শুল্ক নীতি বাতিলের পর, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশের বিরুদ্ধে নতুন করে বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে। মূলত ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ‘সেকশন ৩০১’ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর নতুন করে উচ্চ শুল্ক আরোপিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, শত শত বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং মার্কিন কর্মসংস্থান রক্ষা করতে এই আইনি পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো—বিদেশি সরকারগুলো তাদের কোম্পানিগুলোকে অন্যায্য ভর্তুকি দিচ্ছে কি না, শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা আছে কি না কিংবা শ্রমিকদের মজুরি দমনের মাধ্যমে বাণিজ্যে বাড়তি সুবিধা নেওয়া হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা।
তদন্তের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভিয়েতনামের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তিগুলো। এছাড়া ‘জোরপূর্বক শ্রম’ দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করতে ‘সেকশন ৩০১’-এর আওতায় আরও একটি পৃথক তদন্ত শুরু করা হচ্ছে।

প্রশাসনের ওপর এই তদন্ত দ্রুত শেষ করার তীব্র চাপ রয়েছে, কারণ বিদ্যমান ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ আগামী ২৪ জুলাই শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প এই শুল্ক ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করলেও আইনি জটিলতার কারণে তা থমকে ছিল।
মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং বৈশ্বিক উত্তেজনার এই সন্ধিক্ষণে নতুন শুল্ক আরোপ করা হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বাণিজ্য বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই তদন্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, যা গত বছরের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উত্তজনাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ই/স/রা/য়ে/ল ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে ট্রাম্পের সফর

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন বাণিজ্য তদন্ত: বাংলাদেশসহ ১৬ দেশের শুল্ক অস্থিরতার শঙ্কা

আপডেট সময় ০৩:২৮:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক আগের শুল্ক নীতি বাতিলের পর, ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৬টি দেশের বিরুদ্ধে নতুন করে বাণিজ্য তদন্ত শুরু করেছে। মূলত ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ‘সেকশন ৩০১’ অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যার চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর নতুন করে উচ্চ শুল্ক আরোপিত হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানিয়েছেন, শত শত বিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবং মার্কিন কর্মসংস্থান রক্ষা করতে এই আইনি পথ বেছে নেওয়া হয়েছে।

এই তদন্তের মূল লক্ষ্য হলো—বিদেশি সরকারগুলো তাদের কোম্পানিগুলোকে অন্যায্য ভর্তুকি দিচ্ছে কি না, শিল্প খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা আছে কি না কিংবা শ্রমিকদের মজুরি দমনের মাধ্যমে বাণিজ্যে বাড়তি সুবিধা নেওয়া হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা।
তদন্তের তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও রয়েছে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভিয়েতনামের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শক্তিগুলো। এছাড়া ‘জোরপূর্বক শ্রম’ দিয়ে তৈরি পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করতে ‘সেকশন ৩০১’-এর আওতায় আরও একটি পৃথক তদন্ত শুরু করা হচ্ছে।

প্রশাসনের ওপর এই তদন্ত দ্রুত শেষ করার তীব্র চাপ রয়েছে, কারণ বিদ্যমান ১০ শতাংশ শুল্কের মেয়াদ আগামী ২৪ জুলাই শেষ হতে যাচ্ছে। ট্রাম্প এই শুল্ক ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করলেও আইনি জটিলতার কারণে তা থমকে ছিল।
মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং বৈশ্বিক উত্তেজনার এই সন্ধিক্ষণে নতুন শুল্ক আরোপ করা হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বাণিজ্য বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই তদন্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক অংশীদারদের সঙ্গে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে, যা গত বছরের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উত্তজনাকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পকে দ্রুত পদচ্যুত করার দাবি এনএএসিপি-র