ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

ছয় ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতার ও মৃত্যুদণ্ড দাবি করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 1060

ছবি: সংগৃহীত

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ছয়জন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ এনেছেন।

Truth Social–এ ধারাবাহিক পোস্টে তিনি তাদের “দেশদ্রোহী” এবং “সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাষ্ট্রদ্রোহী আচরণের সঙ্গে জড়িত” বলে আখ্যা দেন।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ অভিবাসী ধরপাকড়: গ্রেফতার ৪ বাংলাদেশি

ট্রাম্প দাবি করেন, তাদের “তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করে বিচার করা উচিত” এবং এটি “মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ” হতে পারে।

ঘটনার সূত্র শুরু হয় মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি ভিডিও থেকে। সেনেটর এলিসা স্লটকিন ও আরো পাঁচজন সিনেটর —ভিডিওতে মার্কিন সেনাসদস্য ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান “অবৈধ আদেশ” অমান্য করতে এবং সাংবিধানিক শপথ রক্ষা করতে। দেশের অভ্যন্তরীণ হুমকি নিয়ে উদ্বেগ থেকেই তারা এই বার্তা দেন।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ট্রাম্প তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান এবং অভিযোগ করেন যে এ ধরনের বক্তব্য “মার্কিন সামরিক বাহিনীকে বিদ্রোহে উৎসাহিত করতে পারে”। তিনি এটিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও উল্লেখ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছয় ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে গ্রেফতার ও মৃত্যুদণ্ড দাবি করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

আপডেট সময় ১০:১৪:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ছয়জন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ এনেছেন।

Truth Social–এ ধারাবাহিক পোস্টে তিনি তাদের “দেশদ্রোহী” এবং “সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাষ্ট্রদ্রোহী আচরণের সঙ্গে জড়িত” বলে আখ্যা দেন।

আরও পড়ুন  ১০ মাস পর ধরা পড়ল জন্মদাত্রী মায়ের হন্তারক; চকরিয়া থেকে গ্রেফতার দম্পতি

ট্রাম্প দাবি করেন, তাদের “তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেফতার করে বিচার করা উচিত” এবং এটি “মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ” হতে পারে।

ঘটনার সূত্র শুরু হয় মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি ভিডিও থেকে। সেনেটর এলিসা স্লটকিন ও আরো পাঁচজন সিনেটর —ভিডিওতে মার্কিন সেনাসদস্য ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান “অবৈধ আদেশ” অমান্য করতে এবং সাংবিধানিক শপথ রক্ষা করতে। দেশের অভ্যন্তরীণ হুমকি নিয়ে উদ্বেগ থেকেই তারা এই বার্তা দেন।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ট্রাম্প তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান এবং অভিযোগ করেন যে এ ধরনের বক্তব্য “মার্কিন সামরিক বাহিনীকে বিদ্রোহে উৎসাহিত করতে পারে”। তিনি এটিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলেও উল্লেখ করেন।