ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গ্যাস লিকের বিস্ফোরণ, বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূর মৃত্যু হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল ভারতে আদালতে ১৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, প্রাণ গেল তরুণ ব্যবসায়ীর সৌদি আরবে ইরানি মিসাইল হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ২, আহত ১২ গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু নতুন জাহাজে জ্বালানি এলেও সীমিত বিক্রি অব্যাহত থাকবে ইরানের ইউরেনিয়াম নিতে স্পেশাল ফোর্স অভিযানের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের প্যারাগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকার শান্ত কিন্তু বৈচিত্র্যময় এক দেশ গভীর রাতে মার্কিন দূতাবাসে বিস্ফোরণ, তদন্তে নরওয়ে পুলিশ মরণোত্তর অদম্য নারী পুরস্কার খালেদা জিয়ার, দাদীর পক্ষে পুরস্কার নিলেন জাইমা রহমান

উত্তর গাজায় বোমা বিস্ফোরণে ৫ ইসরাইলি সেনা নিহত, আহত ১৪

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • / 192

ছবি সংগৃহীত

 

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার উত্তর অংশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ ইসরাইলি সেনা। এ ঘটনায় আরও ১৪ সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।

টাইমস অব ইসরাইলের বরাতে জানা যায়, সোমবার (৮ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ১০টার কিছু পর বেইত হানুন এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একটি স্থল অভিযানের সময় রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক দ্রব্যের আঘাতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের সময় সেনারা কোনো যানবাহনে ছিলেন না, তারা পায়ে হেঁটে অভিযান পরিচালনা করছিলেন।

নিহতদের মধ্যে দুই সেনার পরিচয় প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তারা হলেন সার্জেন্ট মেইর শিমন আমার (২০) এবং সার্জেন্ট মোশে নিশিম ফ্রেচ (২০)। নিহত বাকি তিন সেনার পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

আইডিএফ আরও জানায়, বিস্ফোরণের পর হতাহতদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানোর সময় সেনাদের ওপর গুলিবর্ষণ হয়। এতে আহতদের সংখ্যা আরও বাড়ে। আহত ১৪ জনের মধ্যে কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিস্ফোরণের আগে ওই এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী বিমান হামলাও চালিয়েছিল বলে জানিয়েছে সামরিক বাহিনী।

টাইমস অব ইসরাইলের তথ্য মতে, নেটজাহ ইহুদা ব্যাটালিয়নের সেনারা বেইত হানুনে ৬৪৬তম রিজার্ভ প্যারাট্রুপার্স ব্রিগেডের সাথে গাজা ডিভিশনের উত্তর ব্রিগেডের অধীনে একটি সম্মিলিত অভিযানে অংশ নিচ্ছিলেন।

গাজায় ইসরাইলি সেনাদের এই হতাহতের ঘটনা এমন সময় ঘটল, যখন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে সফর করছেন। সেখানে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

গাজায় চলমান সহিংসতা এবং হতাহতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ পরিস্থিতিকে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

উত্তর গাজায় বোমা বিস্ফোরণে ৫ ইসরাইলি সেনা নিহত, আহত ১৪

আপডেট সময় ১১:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

 

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার উত্তর অংশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে প্রাণ হারিয়েছেন ৫ ইসরাইলি সেনা। এ ঘটনায় আরও ১৪ সেনা আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ)।

টাইমস অব ইসরাইলের বরাতে জানা যায়, সোমবার (৮ জুলাই) স্থানীয় সময় রাত ১০টার কিছু পর বেইত হানুন এলাকায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একটি স্থল অভিযানের সময় রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক দ্রব্যের আঘাতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের সময় সেনারা কোনো যানবাহনে ছিলেন না, তারা পায়ে হেঁটে অভিযান পরিচালনা করছিলেন।

নিহতদের মধ্যে দুই সেনার পরিচয় প্রকাশ করেছে আইডিএফ। তারা হলেন সার্জেন্ট মেইর শিমন আমার (২০) এবং সার্জেন্ট মোশে নিশিম ফ্রেচ (২০)। নিহত বাকি তিন সেনার পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

আইডিএফ আরও জানায়, বিস্ফোরণের পর হতাহতদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানোর সময় সেনাদের ওপর গুলিবর্ষণ হয়। এতে আহতদের সংখ্যা আরও বাড়ে। আহত ১৪ জনের মধ্যে কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বিস্ফোরণের আগে ওই এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী বিমান হামলাও চালিয়েছিল বলে জানিয়েছে সামরিক বাহিনী।

টাইমস অব ইসরাইলের তথ্য মতে, নেটজাহ ইহুদা ব্যাটালিয়নের সেনারা বেইত হানুনে ৬৪৬তম রিজার্ভ প্যারাট্রুপার্স ব্রিগেডের সাথে গাজা ডিভিশনের উত্তর ব্রিগেডের অধীনে একটি সম্মিলিত অভিযানে অংশ নিচ্ছিলেন।

গাজায় ইসরাইলি সেনাদের এই হতাহতের ঘটনা এমন সময় ঘটল, যখন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রে সফর করছেন। সেখানে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

গাজায় চলমান সহিংসতা এবং হতাহতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ পরিস্থিতিকে গভীর উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।