ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
শিরোনাম :
প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণায় সরকারের পূর্ণ সহযোগিতার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতে ইসলামী থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে: ফরহাদ মজহার বেনজীরকে দেশে ফেরাতে উদ্যোগ সম্পর্কে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেসরকারি উদ্যোগে ঢাকার চারপাশের নৌপথে চলবে ওয়াটার বাস জুলাই সনদ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা হবে: মাহদী আমিন টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ডাকাতি, ছুরিকাঘাতে আহত ১ মোদির বাসভবনে পদযাত্রার ঘোষণা কেজরিওয়ালের গুম-খুনের প্রশ্ন না তুলে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন— কাদের গনি চৌধুরী নতুন বাংলাদেশ গঠনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্ত্রী ও শাশুড়িকে হত্যার পর থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ

এবার মার্কিন মুলুকেই ইসরায়েলের গোপন নজরদারি!ল্য়য়ল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 69

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়তে থাকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে গোয়েন্দা নজরদারির বিষয়টি। মার্কিন গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি মার্কিন কর্মকর্তারা নিজেরাও সম্ভাব্য নজরদারির লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতাকে উচ্চ ঝুঁকির পর্যায়ে মূল্যায়ন করেছে। এ বিষয়ে বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইসরায়েল লক্ষ্য করে ছোড়া হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবে আঘাত

এ কারণে ইসরায়েল সফরে যাওয়া মার্কিন কর্মকর্তাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহার করছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে কঠোর নিরাপত্তা বিধি মেনে চলছেন। হোটেল কক্ষ বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সংবেদনশীল আলোচনা থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি প্রস্তুত করা এক অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে ইসরায়েলের তথ্য সংগ্রহ সক্ষমতাকে অত্যন্ত শক্তিশালী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে ইরান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তথ্য জানার ক্ষেত্রে ইসরায়েল আগ্রহী হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইসরায়েল। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো মার্কিন কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে না। তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম শুধুমাত্র নিরাপত্তা হুমকির উৎস ও শত্রুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রতিবেদনের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মিত্র দেশগুলোর মধ্যে সীমিত পরিসরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অস্বাভাবিক নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে দুই দেশের অবস্থানের পার্থক্য বাড়ায় বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতার পথ খুঁজছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেলেও ইসরায়েল তেহরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান ও সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এ কারণে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাড়ছে বলেও মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে দুই মিত্র দেশের পারস্পরিক আস্থা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এবার মার্কিন মুলুকেই ইসরায়েলের গোপন নজরদারি!ল্য়য়ল

আপডেট সময় ০৯:০২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

 

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়তে থাকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে গোয়েন্দা নজরদারির বিষয়টি। মার্কিন গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমনকি মার্কিন কর্মকর্তারা নিজেরাও সম্ভাব্য নজরদারির লক্ষ্যবস্তু হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা সম্প্রতি ইসরায়েলের গোয়েন্দা তৎপরতাকে উচ্চ ঝুঁকির পর্যায়ে মূল্যায়ন করেছে। এ বিষয়ে বর্তমান ও সাবেক কয়েকজন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তার তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় একদিনে নিহত ৮১ জন

এ কারণে ইসরায়েল সফরে যাওয়া মার্কিন কর্মকর্তাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার ব্যবহার করছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে কঠোর নিরাপত্তা বিধি মেনে চলছেন। হোটেল কক্ষ বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সংবেদনশীল আলোচনা থেকেও বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সম্প্রতি প্রস্তুত করা এক অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে ইসরায়েলের তথ্য সংগ্রহ সক্ষমতাকে অত্যন্ত শক্তিশালী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে ইরান বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তথ্য জানার ক্ষেত্রে ইসরায়েল আগ্রহী হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে ইসরায়েল। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো মার্কিন কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করে না। তাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম শুধুমাত্র নিরাপত্তা হুমকির উৎস ও শত্রুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রতিবেদনের দাবি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মিত্র দেশগুলোর মধ্যে সীমিত পরিসরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অস্বাভাবিক নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানকে ঘিরে দুই দেশের অবস্থানের পার্থক্য বাড়ায় বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতার পথ খুঁজছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেলেও ইসরায়েল তেহরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান ও সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এ কারণে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন বাড়ছে বলেও মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্রের দাবি অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে দুই মিত্র দেশের পারস্পরিক আস্থা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়েও নতুন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।