ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯, মোট প্রাণহানি ছাড়ালো ৫৩ হাজার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 411

ছবি সংগৃহীত

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় একদিনেই আরও ৭৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১১ জন। শনিবার (২৪ মে) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু ও আল জাজিরা।

আরও পড়ুন  গাজায় ত্রাণের মাধ্যমে জীবাণু যুদ্ধ চালাচ্ছে ইসরায়েল

গত ২৪ ঘণ্টার এই হামলার পর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৯০১ জনে। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৫৯৩ জন মানুষ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি হামলায় বিপুলসংখ্যক নারী, শিশু ও বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে গাজার সরকারি জনসংযোগ দপ্তরের হিসাবে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ও এখনও উদ্ধার না হওয়া হতাহতদের হিসাব যুক্ত করলে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ায় ৬১ হাজার ৭০০ জনে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর কিছুদিন হামলা বন্ধ থাকলেও ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল ফের সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩ হাজার ৭৪৭ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৬০০ জন।

গাজায় প্রতিনিয়ত চলা বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বোমাবর্ষণের ফলে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতিতে।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো একাধিকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গাজার মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে দিন দিন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই সংঘাতে গাজা এখন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯, মোট প্রাণহানি ছাড়ালো ৫৩ হাজার

আপডেট সময় ০২:১১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

 

 

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত হামলায় একদিনেই আরও ৭৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১১ জন। শনিবার (২৪ মে) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু ও আল জাজিরা।

আরও পড়ুন  লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত, আহত কয়েকজন

গত ২৪ ঘণ্টার এই হামলার পর থেকে গাজায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ৯০১ জনে। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৫৯৩ জন মানুষ।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দীর্ঘ ১৯ মাস ধরে চলমান এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি হামলায় বিপুলসংখ্যক নারী, শিশু ও বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন।

এদিকে গাজার সরকারি জনসংযোগ দপ্তরের হিসাবে, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা ও এখনও উদ্ধার না হওয়া হতাহতদের হিসাব যুক্ত করলে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ায় ৬১ হাজার ৭০০ জনে।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর কিছুদিন হামলা বন্ধ থাকলেও ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল ফের সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ৩ হাজার ৭৪৭ জন এবং আহত হয়েছেন প্রায় ১০ হাজার ৬০০ জন।

গাজায় প্রতিনিয়ত চলা বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বোমাবর্ষণের ফলে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠেছে খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতিতে।

জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো একাধিকবার যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গাজার মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে দিন দিন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই সংঘাতে গাজা এখন এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেছেন তারা