ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

আটারি সীমান্তে ভারত–পাকিস্তানের মধ্যে একজন করে সেনা বন্দিবিনিময়

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫
  • / 392

ছবি সংগৃহীত

 

ভারত ও পাকিস্তান আজ বুধবার সকালে শান্তিপূর্ণভাবে একজন করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে একে অপরের কাছে হস্তান্তর করেছে। আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে অনুষ্ঠিত এ বন্দী বিনিময় দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যে একটি শান্তির বার্তা নিয়ে এল।

ভারতের হাতে থাকা পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সদস্য মুহাম্মদ উল্লাহকে পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্য পূর্ণম কুমার শ–কে ভারতের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। পূর্ণম কুমার গত ২৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের ফিরোজপুর সীমান্তে দায়িত্ব পালনের সময় ভুলবশত পাকিস্তানে প্রবেশ করেন এবং সেখানকার রেঞ্জার্স বাহিনীর হাতে আটক হন।

আরও পড়ুন  ভারতের ছত্তিশগড়ে ট্রাক ও কার্গো ট্রাকের সংঘর্ষে নারী-শিশুসহ নিহত ১৩

বিএসএফ-এর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘পূর্ণম কুমার ২৩ এপ্রিল থেকে পাকিস্তান রেঞ্জার্সের হেফাজতে ছিলেন। আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে পাঞ্জাবের অমৃতসরের আটারি যৌথ চেকপোস্ট দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাঁকে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রক্রিয়াটি দুই দেশের মধ্যে প্রচলিত নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।’

জানা যায়, ৪০ বছর বয়সী পূর্ণম কুমার ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর একটি সশস্ত্র হামলার ঠিক পরদিন সীমান্ত পার হয়ে পাকিস্তানে চলে যান। উক্ত হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন নিরীহ পর্যটক, যা ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা আরও তীব্র করে তোলে।

বন্দী বিনিময়ের এ ঘটনাকে দুই দেশের মিডিয়া শান্তিপূর্ণ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছে। আন্তর্জাতিক মহলেও এই বিনিময়কে স্বাগত জানানো হচ্ছে, কারণ এটি পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে এমন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতে আলোচনার দরজা খুলে দিতে পারে এবং সীমান্তে সহিংসতা ও উত্তেজনা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

এই ঘটনা প্রমাণ করে, সঠিক সময় ও সদিচ্ছা থাকলে এমন জটিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আটারি সীমান্তে ভারত–পাকিস্তানের মধ্যে একজন করে সেনা বন্দিবিনিময়

আপডেট সময় ০৪:২৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

 

ভারত ও পাকিস্তান আজ বুধবার সকালে শান্তিপূর্ণভাবে একজন করে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকে একে অপরের কাছে হস্তান্তর করেছে। আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে অনুষ্ঠিত এ বন্দী বিনিময় দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যে একটি শান্তির বার্তা নিয়ে এল।

ভারতের হাতে থাকা পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সদস্য মুহাম্মদ উল্লাহকে পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্য পূর্ণম কুমার শ–কে ভারতের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে। পূর্ণম কুমার গত ২৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের ফিরোজপুর সীমান্তে দায়িত্ব পালনের সময় ভুলবশত পাকিস্তানে প্রবেশ করেন এবং সেখানকার রেঞ্জার্স বাহিনীর হাতে আটক হন।

আরও পড়ুন  শুধু চোর ও কাপুরুষরাই রাতে হামলা চালায়”: ভারতকে বিলাওয়ালের হুঁশিয়ারি

বিএসএফ-এর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘পূর্ণম কুমার ২৩ এপ্রিল থেকে পাকিস্তান রেঞ্জার্সের হেফাজতে ছিলেন। আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে পাঞ্জাবের অমৃতসরের আটারি যৌথ চেকপোস্ট দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাঁকে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রক্রিয়াটি দুই দেশের মধ্যে প্রচলিত নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।’

জানা যায়, ৪০ বছর বয়সী পূর্ণম কুমার ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর একটি সশস্ত্র হামলার ঠিক পরদিন সীমান্ত পার হয়ে পাকিস্তানে চলে যান। উক্ত হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন নিরীহ পর্যটক, যা ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা আরও তীব্র করে তোলে।

বন্দী বিনিময়ের এ ঘটনাকে দুই দেশের মিডিয়া শান্তিপূর্ণ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছে। আন্তর্জাতিক মহলেও এই বিনিময়কে স্বাগত জানানো হচ্ছে, কারণ এটি পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে এমন মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতে আলোচনার দরজা খুলে দিতে পারে এবং সীমান্তে সহিংসতা ও উত্তেজনা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

এই ঘটনা প্রমাণ করে, সঠিক সময় ও সদিচ্ছা থাকলে এমন জটিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব।