ঢাকা ১২:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৩৩ জন নিহত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫
  • / 392

ছবি সংগৃহীত

 

অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় মৃত্যু মিছিল থামছে না। সর্বশেষ রবিবার সারাদিন ধরে চালানো হামলায় আরও ৩৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এতে করে চলমান অভিযানে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৫১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, রোববার গাজার বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বিচারে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। একইসঙ্গে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও অভিযান চালায় তারা, যেখানে আরও দুজন নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  ভাইরাল ভিডিওতে নেতানিয়াহু—বাস্তব নাকি এআই নির্মিত?

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি অস্থির দেশ ইয়েমেনেও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানী সানার একটি জনবহুল বাজারে মার্কিন বাহিনীর চালানো বিমান হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত ও ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। হুতি বিদ্রোহীদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলায় আশপাশের ভবন ও ব্যক্তিগত দোকানপাট ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে স্বাস্থ্যকর্মী হত্যার ঘটনাকে ‘দুঃখজনক ভুল’ আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েল সেনাবাহিনী। গত ২৩ মার্চ গাজার কেন্দ্রস্থলে এক ইসরায়েলি অভিযানে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ১৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং জাতিসংঘের একজন কর্মী প্রাণ হারান।

তদন্ত শেষে আইডিএফ জানায়, “অপারেশনাল ভুল বোঝাবুঝি” এবং “নির্দেশ অমান্য” করার ফলে এই প্রাণহানি ঘটে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক উপ-কমান্ডারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি ব্রিফিংয়ে ‘ভুল ও অসম্পূর্ণ তথ্য’ প্রদান করেছিলেন।

নিরীহ সাধারণ মানুষের মৃত্যু ও বেসামরিক অবকাঠামোর ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, তবে যুদ্ধবিরতির কোনো লক্ষণ এখনো স্পষ্ট নয়। গাজা, লেবানন ও ইয়েমেনে টানা আঘাত হানার ফলে পুরো অঞ্চলে সহিংসতা আরও বিস্তার লাভ করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ৩৩ জন নিহত

আপডেট সময় ১১:৩৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ এপ্রিল ২০২৫

 

অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বাহিনীর লাগাতার হামলায় মৃত্যু মিছিল থামছে না। সর্বশেষ রবিবার সারাদিন ধরে চালানো হামলায় আরও ৩৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এতে করে চলমান অভিযানে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৫১ হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, রোববার গাজার বিভিন্ন অঞ্চলে নির্বিচারে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। একইসঙ্গে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও অভিযান চালায় তারা, যেখানে আরও দুজন নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা: ইসরায়েলে পৌঁছালো যুক্তরাষ্ট্রের ভারী বোমার চালান

অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি অস্থির দেশ ইয়েমেনেও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রাজধানী সানার একটি জনবহুল বাজারে মার্কিন বাহিনীর চালানো বিমান হামলায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত ও ৩০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছে। হুতি বিদ্রোহীদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলায় আশপাশের ভবন ও ব্যক্তিগত দোকানপাট ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে স্বাস্থ্যকর্মী হত্যার ঘটনাকে ‘দুঃখজনক ভুল’ আখ্যা দিয়েছে ইসরায়েল সেনাবাহিনী। গত ২৩ মার্চ গাজার কেন্দ্রস্থলে এক ইসরায়েলি অভিযানে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির একটি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা ১৪ জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং জাতিসংঘের একজন কর্মী প্রাণ হারান।

তদন্ত শেষে আইডিএফ জানায়, “অপারেশনাল ভুল বোঝাবুঝি” এবং “নির্দেশ অমান্য” করার ফলে এই প্রাণহানি ঘটে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এক উপ-কমান্ডারকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিনি ব্রিফিংয়ে ‘ভুল ও অসম্পূর্ণ তথ্য’ প্রদান করেছিলেন।

নিরীহ সাধারণ মানুষের মৃত্যু ও বেসামরিক অবকাঠামোর ধ্বংসযজ্ঞ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে আসছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, তবে যুদ্ধবিরতির কোনো লক্ষণ এখনো স্পষ্ট নয়। গাজা, লেবানন ও ইয়েমেনে টানা আঘাত হানার ফলে পুরো অঞ্চলে সহিংসতা আরও বিস্তার লাভ করছে।