ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রথমবার মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেল এসআরবি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 25

ছবি: সংগৃহীত

 

 

রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, ভাঙচুর, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব প্রথমবারের মতো পেয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এসআরবিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আরও পড়ুন  দুর্নীতির মামলায় জি কে শামীমের সাড়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, খালাস পেয়েছেন মা, বাজেয়াপ্ত ২৯৭ কোটি টাকা

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাদী মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চুর নালিশি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। মামলায় হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টিকে আসামি করা হয়েছে।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবি আইনের ১০(গ) ধারায় মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় এসআরবি আইনের ৫(২) ধারা অনুযায়ী মহাপরিচালককে যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে আদালতের। এ কারণে বাদীর নালিশি দরখাস্তটি এসআরবি দিয়ে তদন্ত করা যুক্তিযুক্ত বলে আদালত মনে করেছেন।

আদেশে আরও বলা হয়, এসআরবি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী মহাপরিচালক ইউনিটে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার নিচে নন—এমন কোনো সদস্যকে দিয়ে মামলাটি তদন্ত করিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের একটি জমিতে নির্মিত বহুতল ভবনটির মালিক মো. ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার সপরিবারে কানাডায় বসবাস করছেন। তাদের আপন চাচা বাদী মিজানুর রহমান বাংলাদেশে থাকা তাদের স্থাবর সম্পত্তির দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বাদীর অভিযোগ, মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখল ও আত্মসাতের চেষ্টা করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা জোরপূর্বক বাড়িতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় বাধা দিলে আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে হেমায়েত উদ্দিন সুমন বাদীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেন এবং সেখান থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এসআরবিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রথমবার মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেল এসআরবি

আপডেট সময় ০৬:৩২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, ভাঙচুর, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা একটি মামলার তদন্তের দায়িত্ব প্রথমবারের মতো পেয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এসআরবিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আরও পড়ুন  শিক্ষার্থীদের মুচলেকা দিলে মামলা-জিডি প্রত্যাহারের ঘোষণা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাদী মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চুর নালিশি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। মামলায় হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টিকে আসামি করা হয়েছে।

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, এসআরবি আইনের ১০(গ) ধারায় মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় এসআরবি আইনের ৫(২) ধারা অনুযায়ী মহাপরিচালককে যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার এখতিয়ার রয়েছে আদালতের। এ কারণে বাদীর নালিশি দরখাস্তটি এসআরবি দিয়ে তদন্ত করা যুক্তিযুক্ত বলে আদালত মনে করেছেন।

আদেশে আরও বলা হয়, এসআরবি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী মহাপরিচালক ইউনিটে কর্মরত উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার নিচে নন—এমন কোনো সদস্যকে দিয়ে মামলাটি তদন্ত করিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের একটি জমিতে নির্মিত বহুতল ভবনটির মালিক মো. ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার সপরিবারে কানাডায় বসবাস করছেন। তাদের আপন চাচা বাদী মিজানুর রহমান বাংলাদেশে থাকা তাদের স্থাবর সম্পত্তির দেখাশোনা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

বাদীর অভিযোগ, মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখল ও আত্মসাতের চেষ্টা করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা জোরপূর্বক বাড়িতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সময় বাধা দিলে আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে হেমায়েত উদ্দিন সুমন বাদীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেন এবং সেখান থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে যান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য এসআরবিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।