ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাপ-মায়ের পর জাতিসংঘে বগুড়ার ছোল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 19

ছবি: সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান উত্তরের ঐতিহ্যসমৃদ্ধ জনপথ বগুড়া। এ অঞ্চলে ছেলে সন্তানদের ডাকা হয় “ছোল” নামে। অঞ্চলিক গানেও এর প্রমাণ মেলে, “হামরা বগুড়ার ছোল, পুটি মাছ মারবের যায়ে মেরে আনি বোল।” শুধু বগুড়া নয়, লাল সবুজের বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে অতীতে জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন জিয়া পরিবারের ২ সদস্য। সেই ধারাবাহিকায় যুক্ত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তিনি।

শুরুটা হয়েছিল ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাষণের মধ্য দিয়ে। ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণে সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। আর ২০২৬-এ এসে তারেক রহমানের ভাষণের মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ে উন্মোচিত হতে যাচ্ছে নতুন দিগন্ত।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনের ভাষণে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য, দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমান: ‘‘নির্বাচন যত দেরি হবে, ষড়যন্ত্র ততই বাড়বে’’

এবার তারেক রহমান বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। যেখানে দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বৈশ্বিক শান্তি ও আন্তর্জাতিক সংকটের টেকসই সমাধানের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক মঞ্চে যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দাঁড়াতে যাচ্ছেন, তখন একদিকে নতুন বাংলাদেশের বার্তা। অন্যদিকে ৪০ বছর পর আবারও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে বাংলাদেশ। ইতিহাসের দুই অধ্যায়, একই সময়ে, একই মঞ্চে। যার প্রতিধ্বনি ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বজুড়ে। অধিবেশনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও চলবে। কথা হবে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন নিয়ে। থাকবে অর্থনীতি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকে শুরু করে থাকবে বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তাসহ বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা ইস্যু।

প্রত্যাশা, ২৪ সেপ্টেম্বর এই মঞ্চেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কণ্ঠে বিশ্ব শুনবে নতুন বাংলাদেশের গল্প। যেখানে থাকবে ১৮ কোটি মানুষের স্বপ্ন, সংকট আর সম্ভাবনার কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাপ-মায়ের পর জাতিসংঘে বগুড়ার ছোল

আপডেট সময় ০৫:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্মস্থান উত্তরের ঐতিহ্যসমৃদ্ধ জনপথ বগুড়া। এ অঞ্চলে ছেলে সন্তানদের ডাকা হয় “ছোল” নামে। অঞ্চলিক গানেও এর প্রমাণ মেলে, “হামরা বগুড়ার ছোল, পুটি মাছ মারবের যায়ে মেরে আনি বোল।” শুধু বগুড়া নয়, লাল সবুজের বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে অতীতে জাতিসংঘে ভাষণ দিয়েছেন জিয়া পরিবারের ২ সদস্য। সেই ধারাবাহিকায় যুক্ত হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তিনি।

শুরুটা হয়েছিল ১৯৮০ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাষণের মধ্য দিয়ে। ১৯৯৩ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার অংশগ্রহণে সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। আর ২০২৬-এ এসে তারেক রহমানের ভাষণের মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ে উন্মোচিত হতে যাচ্ছে নতুন দিগন্ত।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১১তম বিশেষ অধিবেশনের ভাষণে ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান বৈষম্য, দারিদ্র্য, ক্ষুধা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমান বাংলাদেশে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন : আযম খান

এবার তারেক রহমান বিশ্বনেতাদের সামনে বাংলাদেশের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। যেখানে দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর, ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অগ্রাধিকার, বৈশ্বিক শান্তি ও আন্তর্জাতিক সংকটের টেকসই সমাধানের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক মঞ্চে যখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দাঁড়াতে যাচ্ছেন, তখন একদিকে নতুন বাংলাদেশের বার্তা। অন্যদিকে ৪০ বছর পর আবারও জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে বাংলাদেশ। ইতিহাসের দুই অধ্যায়, একই সময়ে, একই মঞ্চে। যার প্রতিধ্বনি ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বজুড়ে। অধিবেশনের ফাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকও চলবে। কথা হবে গণতন্ত্র ও উন্নয়ন নিয়ে। থাকবে অর্থনীতি ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি থেকে শুরু করে থাকবে বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তাসহ বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা ইস্যু।

প্রত্যাশা, ২৪ সেপ্টেম্বর এই মঞ্চেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কণ্ঠে বিশ্ব শুনবে নতুন বাংলাদেশের গল্প। যেখানে থাকবে ১৮ কোটি মানুষের স্বপ্ন, সংকট আর সম্ভাবনার কথা।