ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 235

ছবি সংগৃহীত

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  রামগঞ্জে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আগামী ১৭ মে

আপডেট সময় ০২:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

মাগুরায় শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ মে) বেলা ১১টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান এ দিন নির্ধারণ করেন।

এর আগে সোমবার (১২ মে) সকাল ১০টায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়ে দুপুর ১২টার দিকে শেষ হয়। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার নানা তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে যুক্তি তুলে ধরেন। পরিপূর্ণ উপস্থাপন না হওয়ায় মঙ্গলবার আবারো শুনানি হয় এবং এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন  মামলার পর বাবার খুন: ধর্ষণের ঘটনায় ন্যায়বিচারের আহ্বান

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মকুল সাংবাদিকদের জানান, মামলায় মোট ২৯ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাতটি জব্দ তালিকার মধ্যে ১৬ জন সাক্ষী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়ে জব্দকৃত আলামত আদালতে সত্যায়ন করেছেন। তিনটি মেডিকেল সার্টিফিকেটে স্বাক্ষরকারী পাঁচজন চিকিৎসক আদালতে সাক্ষ্য দিয়ে নিজ নিজ স্বাক্ষর শনাক্ত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(২) ধারায় প্রধান আসামি হিটু শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মার্চ মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী গ্রামে বোনের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৩ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।

ঘটনার পর দেশজুড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়। স্থানীয় আইনজীবীরাও অভিযুক্তদের জন্য কোনো ধরনের আইনি সহায়তা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। মূল অভিযুক্ত হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাগুরা সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগপত্র দেন।