ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী

গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 174

ছবি সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)-কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলার আসামি ধরতে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের ওপর হামলা, এসআই গুরুতর আহত

জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফেরার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার তাদের বিধাননগর আদালত-এ হাজির করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুর-এ পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোয়েন্দা তথ্যে ভারতে ফয়সাল গ্রেপ্তার, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

আপডেট সময় ১২:২০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদসহ ভারতে গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর তথ্যের ভিত্তিতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক হাদি হত্যা মামলার দুই প্রধান আসামি রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) ও আলমগীর হোসেন (৩৪)-কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি ভারত সফর করেন। তার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  ইরানে বিমান হামলায় বিপ্লবী গার্ডের গোয়েন্দা প্রধান ও ২ জেনারেল নিহত

জানা গেছে, হাদি হত্যাকাণ্ডের পর ফয়সাল ও আলমগীর মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করার পর সুযোগ বুঝে বাংলাদেশে ফেরার জন্য পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে গ্রেপ্তারের পর রোববার তাদের বিধাননগর আদালত-এ হাজির করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তাদের ১৪ দিনের হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি দেয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ভারতে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ফয়সাল ও আলমগীরকে দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতাল-এ নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুর-এ পাঠানো হয়। সেখানে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়।