ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :

প্রলোভন দেখিয়ে দুই নারীকে ভারতে পাচার, আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৪২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 15

ছবি সংগৃহীত

 

ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দুই বোনকে ভারতে পাচার করে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার মামলায় মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় দেন।

আরও পড়ুন  তেলাপোকার আন্দোলন ইস্যুতে মুখ খুললেন মোদি

রায় ঘোষণার সময় শহীদ শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সহকর্মী শহীদ শেখ ভারতের বোম্বে শহরে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়।

এ ঘটনায় দুই তরুণীর বাবা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

আদালত মানব পাচার আইনের ৬ ধারায় শহীদ শেখকে ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১০ ধারায় আরও ১০ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা না দিলে দুই ধারায় আরও তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, শহীদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। অপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রলোভন দেখিয়ে দুই নারীকে ভারতে পাচার, আসামির ১০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১২:৪২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে দুই বোনকে ভারতে পাচার করে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার মামলায় মো. শহীদ শেখ (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন এ রায় দেন।

আরও পড়ুন  আজাদ কাশ্মীরে সতর্কতা জারি, অভিযোগের তীর ভারতের দিকে

রায় ঘোষণার সময় শহীদ শেখ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গজারকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১১ সালের ২৯ জুলাই ফরিদপুরের একটি জুট মিলে কর্মরত ২০ ও ১৮ বছর বয়সী দুই বোনকে উন্নত চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সহকর্মী শহীদ শেখ ভারতের বোম্বে শহরে নিয়ে যান। সেখানে তাদের অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়।

এ ঘটনায় দুই তরুণীর বাবা ২০১১ সালের ১৩ আগস্ট সালথা থানায় শহীদ শেখ ও তার স্ত্রীকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

আদালত মানব পাচার আইনের ৬ ধারায় শহীদ শেখকে ১০ বছর কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১০ ধারায় আরও ১০ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা না দিলে দুই ধারায় আরও তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি গোলাম রব্বানী ভূঁইয়া জানান, শহীদ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। অপর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।