ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম রিভিউ শুনানি ১৩ ফেব্রুয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 211

ছবি সংগৃহীত

 

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের শুনানি আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতে রিভিউ আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, এবং রাষ্ট্রপক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এম আবদুল কাইয়ূম।

আরও পড়ুন  গণহত্যা মামলায় তিন পুলিশ সদস্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির

১৯৮৬ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স প্রণয়ন করে, যা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে জারি হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এর সংশোধনী আনা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিম্ন অবস্থানে রাখা হয়েছে দাবি করে ২০০৬ সালে হাইকোর্টে রিট করেন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সংগঠন।

২০১০ সালে হাইকোর্ট রায়ে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অবৈধ ঘোষণা করে আটটি নির্দেশনা দেয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। শুনানি শেষে ২০১৫ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের নির্দেশনাগুলো কিছুটা সংশোধন করে তিনটি নির্দেশনা প্রদান করে।

আপিল বিভাগের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়—

১) সাংবিধানিক পদধারীরা প্রিসিডেন্সে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবেন।

২) জেলা জজ ও সমমর্যাদার কর্মকর্তারা সচিবদের সাথে ১৬ নম্বরে থাকবেন।

৩) অতিরিক্ত সচিবরা থাকবেন ১৭ নম্বরে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন রিভিউ আবেদন করে। পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরাও রিভিউ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম রিভিউ শুনানি ১৩ ফেব্রুয়ারি

আপডেট সময় ০২:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

 

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদাক্রম (ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স) নিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে করা রিভিউ আবেদনের শুনানি আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে।

আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন। আদালতে রিভিউ আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার নিহাদ কবির, এবং রাষ্ট্রপক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এম আবদুল কাইয়ূম।

আরও পড়ুন  মাইক্রোনেশিয়া: প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপভিত্তিক এক অনন্য রাষ্ট্র

১৯৮৬ সালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স প্রণয়ন করে, যা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে জারি হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এর সংশোধনী আনা হয়। তবে এই প্রক্রিয়ায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিম্ন অবস্থানে রাখা হয়েছে দাবি করে ২০০৬ সালে হাইকোর্টে রিট করেন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সংগঠন।

২০১০ সালে হাইকোর্ট রায়ে ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অবৈধ ঘোষণা করে আটটি নির্দেশনা দেয়। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ২০১১ সালে আপিল করে। শুনানি শেষে ২০১৫ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের নির্দেশনাগুলো কিছুটা সংশোধন করে তিনটি নির্দেশনা প্রদান করে।

আপিল বিভাগের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়—

১) সাংবিধানিক পদধারীরা প্রিসিডেন্সে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবেন।

২) জেলা জজ ও সমমর্যাদার কর্মকর্তারা সচিবদের সাথে ১৬ নম্বরে থাকবেন।

৩) অতিরিক্ত সচিবরা থাকবেন ১৭ নম্বরে।

এই রায়ের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন রিভিউ আবেদন করে। পরবর্তীতে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরাও রিভিউ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন।