ঢাকা ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

প্রফেসর আবুল বারকাতের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • / 962

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার বিকেলে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ তার জামিন নামঞ্জুর করেন। সকালে যখন প্রফেসর বারকাতকে আদালতে তোলা হয় তখন তাকে খুব চিন্তিত দেখা যায়।

তার আইনজীবী মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে ঋণ আবেদন করে এননটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সুপ্রভা স্পিনিং মিলস। পরে তাদের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইন মেনে সুপ্রভা স্পিনিং মিলসকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়। এর আগে একই বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করে কোনো দুর্নীতি হয়নি মর্মে ক্লিয়ারেন্স দেয়। এখন একই বিষয়ে নতুন করে মামলা করার বিষয়টি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই না। দুদকের প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ওনার কর্মচারীরা কোনো অপরাধ বা অনিয়ম করলে তার দায়িত্ব তাকেই (বারকাত) নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক এমপি মমতাজ

এননটেক্স গ্রুপের নামে দুইশত সাতানবাই কোটি আটত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দুইশত ছিয়ানব্বই টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। প্রফেসর আবুল বারকাত কুষ্টিয়া শহরের সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ডাক্তার আবুল কাশেম গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ভাই ভাতিজারা সকলেই চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত। প্রফেসর আবুল বারকাত মাধ্যমিকের পর রাশিয়া যান পড়ালেখা করতে। সেখান থেকে তিনি অর্থনীতিতে অনার্স মাষ্টার্স এবং পিএইডি ডিগ্রী লাভ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রফেসর আবুল বারকাতের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

 

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার বিকেলে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ তার জামিন নামঞ্জুর করেন। সকালে যখন প্রফেসর বারকাতকে আদালতে তোলা হয় তখন তাকে খুব চিন্তিত দেখা যায়।

তার আইনজীবী মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে ঋণ আবেদন করে এননটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সুপ্রভা স্পিনিং মিলস। পরে তাদের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইন মেনে সুপ্রভা স্পিনিং মিলসকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়। এর আগে একই বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করে কোনো দুর্নীতি হয়নি মর্মে ক্লিয়ারেন্স দেয়। এখন একই বিষয়ে নতুন করে মামলা করার বিষয়টি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই না। দুদকের প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ওনার কর্মচারীরা কোনো অপরাধ বা অনিয়ম করলে তার দায়িত্ব তাকেই (বারকাত) নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাকা আদালতে রিমান্ডে সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ আটজন

এননটেক্স গ্রুপের নামে দুইশত সাতানবাই কোটি আটত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দুইশত ছিয়ানব্বই টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। প্রফেসর আবুল বারকাত কুষ্টিয়া শহরের সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ডাক্তার আবুল কাশেম গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ভাই ভাতিজারা সকলেই চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত। প্রফেসর আবুল বারকাত মাধ্যমিকের পর রাশিয়া যান পড়ালেখা করতে। সেখান থেকে তিনি অর্থনীতিতে অনার্স মাষ্টার্স এবং পিএইডি ডিগ্রী লাভ করেন।