ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

প্রফেসর আবুল বারকাতের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • / 1083

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার বিকেলে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ তার জামিন নামঞ্জুর করেন। সকালে যখন প্রফেসর বারকাতকে আদালতে তোলা হয় তখন তাকে খুব চিন্তিত দেখা যায়।

তার আইনজীবী মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে ঋণ আবেদন করে এননটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সুপ্রভা স্পিনিং মিলস। পরে তাদের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইন মেনে সুপ্রভা স্পিনিং মিলসকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়। এর আগে একই বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করে কোনো দুর্নীতি হয়নি মর্মে ক্লিয়ারেন্স দেয়। এখন একই বিষয়ে নতুন করে মামলা করার বিষয়টি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই না। দুদকের প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ওনার কর্মচারীরা কোনো অপরাধ বা অনিয়ম করলে তার দায়িত্ব তাকেই (বারকাত) নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  আবারও চার দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল

এননটেক্স গ্রুপের নামে দুইশত সাতানবাই কোটি আটত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দুইশত ছিয়ানব্বই টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। প্রফেসর আবুল বারকাত কুষ্টিয়া শহরের সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ডাক্তার আবুল কাশেম গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ভাই ভাতিজারা সকলেই চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত। প্রফেসর আবুল বারকাত মাধ্যমিকের পর রাশিয়া যান পড়ালেখা করতে। সেখান থেকে তিনি অর্থনীতিতে অনার্স মাষ্টার্স এবং পিএইডি ডিগ্রী লাভ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রফেসর আবুল বারকাতের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

 

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার বিকেলে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ তার জামিন নামঞ্জুর করেন। সকালে যখন প্রফেসর বারকাতকে আদালতে তোলা হয় তখন তাকে খুব চিন্তিত দেখা যায়।

তার আইনজীবী মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে ঋণ আবেদন করে এননটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সুপ্রভা স্পিনিং মিলস। পরে তাদের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইন মেনে সুপ্রভা স্পিনিং মিলসকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়। এর আগে একই বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করে কোনো দুর্নীতি হয়নি মর্মে ক্লিয়ারেন্স দেয়। এখন একই বিষয়ে নতুন করে মামলা করার বিষয়টি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই না। দুদকের প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ওনার কর্মচারীরা কোনো অপরাধ বা অনিয়ম করলে তার দায়িত্ব তাকেই (বারকাত) নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ঢাকা আদালতে রিমান্ডে সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলামসহ আটজন

এননটেক্স গ্রুপের নামে দুইশত সাতানবাই কোটি আটত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দুইশত ছিয়ানব্বই টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। প্রফেসর আবুল বারকাত কুষ্টিয়া শহরের সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ডাক্তার আবুল কাশেম গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ভাই ভাতিজারা সকলেই চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত। প্রফেসর আবুল বারকাত মাধ্যমিকের পর রাশিয়া যান পড়ালেখা করতে। সেখান থেকে তিনি অর্থনীতিতে অনার্স মাষ্টার্স এবং পিএইডি ডিগ্রী লাভ করেন।