ঢাকা ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

প্রফেসর আবুল বারকাতের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • / 503

ছবি সংগৃহীত

 

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার বিকেলে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ তার জামিন নামঞ্জুর করেন। সকালে যখন প্রফেসর বারকাতকে আদালতে তোলা হয় তখন তাকে খুব চিন্তিত দেখা যায়।

তার আইনজীবী মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে ঋণ আবেদন করে এননটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সুপ্রভা স্পিনিং মিলস। পরে তাদের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইন মেনে সুপ্রভা স্পিনিং মিলসকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়। এর আগে একই বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করে কোনো দুর্নীতি হয়নি মর্মে ক্লিয়ারেন্স দেয়। এখন একই বিষয়ে নতুন করে মামলা করার বিষয়টি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই না। দুদকের প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ওনার কর্মচারীরা কোনো অপরাধ বা অনিয়ম করলে তার দায়িত্ব তাকেই (বারকাত) নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মুরাদনগরে নারী ধর্ষণ মামলা: ছাত্রলীগ নেতাসহ ৪ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

এননটেক্স গ্রুপের নামে দুইশত সাতানবাই কোটি আটত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দুইশত ছিয়ানব্বই টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। প্রফেসর আবুল বারকাত কুষ্টিয়া শহরের সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ডাক্তার আবুল কাশেম গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ভাই ভাতিজারা সকলেই চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত। প্রফেসর আবুল বারকাত মাধ্যমিকের পর রাশিয়া যান পড়ালেখা করতে। সেখান থেকে তিনি অর্থনীতিতে অনার্স মাষ্টার্স এবং পিএইডি ডিগ্রী লাভ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রফেসর আবুল বারকাতের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

আপডেট সময় ০৪:৪০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

 

বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল বারকাতকে ২ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত। আজ বুধবার বিকেলে ২৯৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ তার জামিন নামঞ্জুর করেন। সকালে যখন প্রফেসর বারকাতকে আদালতে তোলা হয় তখন তাকে খুব চিন্তিত দেখা যায়।

তার আইনজীবী মো. শাহিনুর ইসলাম বলেন, ২০১৩ সালে ঋণ আবেদন করে এননটেক্স গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান সুপ্রভা স্পিনিং মিলস। পরে তাদের আবেদনটি যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যাংকের বোর্ড সভায় উপস্থাপন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইন মেনে সুপ্রভা স্পিনিং মিলসকে ঋণ মঞ্জুর করা হয়। এর আগে একই বিষয়ে দুদক অনুসন্ধান করে কোনো দুর্নীতি হয়নি মর্মে ক্লিয়ারেন্স দেয়। এখন একই বিষয়ে নতুন করে মামলা করার বিষয়টি দ্বিচারিতা ছাড়া কিছুই না। দুদকের প্রসিকিউটর মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর বলেন, জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ওনার কর্মচারীরা কোনো অপরাধ বা অনিয়ম করলে তার দায়িত্ব তাকেই (বারকাত) নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকেও এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  প্রাইম এশিয়ার শিক্ষার্থী হত্যা : ৩ আসামি ৭ দিনের রিমান্ডে

এননটেক্স গ্রুপের নামে দুইশত সাতানবাই কোটি আটত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দুইশত ছিয়ানব্বই টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি আবুল বারকাতসহ ২৩ জনের নামে মামলা করে দুদক। প্রফেসর আবুল বারকাত কুষ্টিয়া শহরের সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ডাক্তার আবুল কাশেম গরীবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তার ভাই ভাতিজারা সকলেই চিকিৎসা সেবার সাথে জড়িত। প্রফেসর আবুল বারকাত মাধ্যমিকের পর রাশিয়া যান পড়ালেখা করতে। সেখান থেকে তিনি অর্থনীতিতে অনার্স মাষ্টার্স এবং পিএইডি ডিগ্রী লাভ করেন।