ঢাকা ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / 614

ছবি সংগৃহীত

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

রোববার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন  শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের দলীয়ভাবে গণহত্যার বিচার হওয়া উচিত: মির্জা ফখরুল

মামলার তৃতীয় আসামি তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পলাতক বলে জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১৬ জুন এই তিন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন করে পুনর্গঠিত হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপরই এই ঘটনায় একটি বিবিধ মামলা দায়ের হয়, যার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে মোট পাঁচটি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গত ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে জমা দেয়। নিয়ম অনুযায়ী, চিফ প্রসিকিউটর তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তা অভিযোগপত্র আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল মামলাটি নথিভুক্ত করে এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান রয়েছে। এর মধ্যে জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলো। অন্য দুই মামলার মধ্যে একটি আওয়ামী লীগ শাসনামলে দীর্ঘ ১৫ বছরে গুম-খুনের ঘটনায়, অপরটি ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

এই মামলাগুলোর ধারাবাহিকতায় আগামী দিনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ

আপডেট সময় ০৪:২৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

রোববার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যবিশিষ্ট ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আরও পড়ুন  নতুন পথের সন্ধানে ভারত-বাংলাদেশ ব্যাংককে মোদি-ইউনূস বৈঠকে সম্পর্কের উষ্ণতা

মামলার তৃতীয় আসামি তৎকালীন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বর্তমানে গ্রেপ্তার অবস্থায় রয়েছেন। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান পলাতক বলে জানিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। আগামী ১৬ জুন এই তিন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর নতুন করে পুনর্গঠিত হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপরই এই ঘটনায় একটি বিবিধ মামলা দায়ের হয়, যার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়। শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান ও আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে মোট পাঁচটি অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে।

মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গত ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে জমা দেয়। নিয়ম অনুযায়ী, চিফ প্রসিকিউটর তদন্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তা অভিযোগপত্র আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল মামলাটি নথিভুক্ত করে এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা চলমান রয়েছে। এর মধ্যে জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এবার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলো। অন্য দুই মামলার মধ্যে একটি আওয়ামী লীগ শাসনামলে দীর্ঘ ১৫ বছরে গুম-খুনের ঘটনায়, অপরটি ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

এই মামলাগুলোর ধারাবাহিকতায় আগামী দিনে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।