ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

রংপুরে লাইসেন্স ও হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে মিলবে না তেল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • / 139

ছবি: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও দুর্ঘটনা কমাতে এক ব্যতিক্রমী এবং কঠোর উদ্যোগ নিয়েছে রংপুর জেলা প্রশাসন। এখন থেকে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট এবং যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জেলা প্রশাসন ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা মোতাবেক ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন সনদ এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন চালানো দণ্ডনীয় অপরাধ। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এটি কেবল সাময়িক কড়াকড়ি নয়, বরং সড়কে চলাচলকারী প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রতিটি পেট্রল পাম্পে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। নিয়ম ভঙ্গকারী চালক ও পাম্প কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী জানান, শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ইতিমধ্যে চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ৩ আরোহী নিহত

এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে স্বাগত জানালেও, সাধারণ চালকদের কেউ কেউ জরুরি প্রয়োজনে কাগজপত্র সঙ্গে না থাকলে ভোগান্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পাম্প মালিকরা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিলেও গ্রাহকদের সঙ্গে সম্ভাব্য বিতর্ক এড়াতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন মেনে চলার সংস্কৃতি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই বিশেষ তদারকি অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে লাইসেন্স ও হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেলে মিলবে না তেল

আপডেট সময় ০৪:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও দুর্ঘটনা কমাতে এক ব্যতিক্রমী এবং কঠোর উদ্যোগ নিয়েছে রংপুর জেলা প্রশাসন। এখন থেকে বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট এবং যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) জেলা প্রশাসন ও রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮-এর বিভিন্ন ধারা মোতাবেক ড্রাইভিং লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন সনদ এবং ফিটনেসবিহীন যানবাহন চালানো দণ্ডনীয় অপরাধ। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, এটি কেবল সাময়িক কড়াকড়ি নয়, বরং সড়কে চলাচলকারী প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি স্থায়ী প্রক্রিয়া।

এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রতিটি পেট্রল পাম্পে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। নিয়ম ভঙ্গকারী চালক ও পাম্প কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মজিদ আলী জানান, শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ইতিমধ্যে চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আরও পড়ুন  টেইলজি ই-মোটরসাইকেল: আধুনিক যাতায়াতের নতুন দিগন্ত

এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সচেতন মহল ও শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে স্বাগত জানালেও, সাধারণ চালকদের কেউ কেউ জরুরি প্রয়োজনে কাগজপত্র সঙ্গে না থাকলে ভোগান্তির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পাম্প মালিকরা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিলেও গ্রাহকদের সঙ্গে সম্ভাব্য বিতর্ক এড়াতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন মেনে চলার সংস্কৃতি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই বিশেষ তদারকি অব্যাহত থাকবে।