ঢাকা ০৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 277

ছবি: সংগৃহীত

সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বসতঘরের গুদামে বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ১৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ, নারী ও শিশু রয়েছে, যাদের কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে বাহারছড়া কচ্ছপিয়া এলাকার চিহ্নিত মানবপাচারকারী মো. আব্দুল আলীর বাড়িতে বেশ কিছু মানুষকে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়েছে। তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের একটি যৌথ দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযান চলাকালীন পাচারকারী আব্দুল আলীর বসতঘরের একটি অন্ধকার গুদাম থেকে বন্দি অবস্থায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মূল হোতাসহ পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রটি তাদের উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনে চাকরি এবং নামমাত্র খরচে বিদেশ যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছিল। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা নাগরিকদের টার্গেট করে এই চক্রটি সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের পরিকল্পনা করছিল। পাচারের আগে তাদের এই গুদামে জড়ো করে রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  মালয়েশিয়ায় ৭৬ বাংলাদেশিসহ ১২১ অভিবাসী আটক

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “মানবপাচার রোধে এবং সাগরপথে এই মরণযাত্রা থামাতে কোস্ট গার্ডের নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার

আপডেট সময় ০৪:৫৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে একটি বসতঘরের গুদামে বন্দি করে রাখা নারী ও শিশুসহ ১৫ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাব। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পুরুষ, নারী ও শিশু রয়েছে, যাদের কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

কোস্ট গার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে বাহারছড়া কচ্ছপিয়া এলাকার চিহ্নিত মানবপাচারকারী মো. আব্দুল আলীর বাড়িতে বেশ কিছু মানুষকে পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা হয়েছে। তথ্যের ভিত্তিতে গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের একটি যৌথ দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযান চলাকালীন পাচারকারী আব্দুল আলীর বসতঘরের একটি অন্ধকার গুদাম থেকে বন্দি অবস্থায় ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। তবে যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে মূল হোতাসহ পাচারকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

উদ্ধারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রটি তাদের উন্নত জীবনযাপন, উচ্চ বেতনে চাকরি এবং নামমাত্র খরচে বিদেশ যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছিল। কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা নাগরিকদের টার্গেট করে এই চক্রটি সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের পরিকল্পনা করছিল। পাচারের আগে তাদের এই গুদামে জড়ো করে রাখা হয়েছিল।

আরও পড়ুন  বন্দি বিনিময় সংক্রান্ত বড় সমঝোতায় পৌঁছাল রাশিয়া ও ইউক্রেন

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “মানবপাচার রোধে এবং সাগরপথে এই মরণযাত্রা থামাতে কোস্ট গার্ডের নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।”