ঢাকা ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

কুষ্টিয়া কারাগার থেকে হাজতির মরদেহ উদ্ধার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 2186

ছবি সংগৃহীত

 

কুষ্টিয়ায় কারাগারের বাথরুম থেকে বিদ্যুৎ আলী (২৭) নামে এক হাজতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিজের ব্যবহৃত গামছায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি কারা কর্তৃপক্ষের।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  অচল সেন্টমার্টিন দ্বীপে দুর্বিষহ জীবন

বিদ্যুৎ আলী কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিম পুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ গ্রামের চাঁদ আলীর ছেলে।

জেল সুপার মো. শরিফুল আলমের দাবি, মাদক মামলার আসামি বিদ্যুৎ ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। শনিবার ভোরে তিনি বাথরুমে যান। এরপর বাথরুমের ভেন্টিলেটরের লোহার গ্রিলের সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। তবে কী কারণে ওই হাজতি আত্মহত্যা করেছেন; সেই বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেন নি তিনি।

জেল সুপার মো. শরিফুল আলম বলেন, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত সম্পন্নের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, ময়নাতদন্তের আগে মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

কুষ্টিয়া কারাগার থেকে হাজতির মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় ০৫:৪১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

কুষ্টিয়ায় কারাগারের বাথরুম থেকে বিদ্যুৎ আলী (২৭) নামে এক হাজতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিজের ব্যবহৃত গামছায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি কারা কর্তৃপক্ষের।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন  কারাবন্দিদের ডাকযোগে ভোটদান শুরু

বিদ্যুৎ আলী কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিম পুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ গ্রামের চাঁদ আলীর ছেলে।

জেল সুপার মো. শরিফুল আলমের দাবি, মাদক মামলার আসামি বিদ্যুৎ ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর থেকে হাজতি হিসেবে কারাগারে ছিলেন। শনিবার ভোরে তিনি বাথরুমে যান। এরপর বাথরুমের ভেন্টিলেটরের লোহার গ্রিলের সঙ্গে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। তবে কী কারণে ওই হাজতি আত্মহত্যা করেছেন; সেই বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিতভাবে জানাতে পারেন নি তিনি।

জেল সুপার মো. শরিফুল আলম বলেন, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্ত সম্পন্নের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হোসেন ইমাম জানান, ময়নাতদন্তের আগে মৃত্যুর কারণ বলা যাবে না। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটিত হবে।