ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ

মধ্যরাতে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত চার শতাধিক বসতঘর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1373

ছবিসংগৃহীত

 

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সোমবার গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

রাত প্রায় ৩টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকায় অবস্থিত ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে ব্র্যাক পরিচালিত একটি লার্নিং সেন্টার থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। অল্প সময়ের মধ্যেই তা আশপাশের বসতঘর ও শেডে ছড়িয়ে পড়ে।ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প এলাকায় গভীর রাতে আগুন লাগায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক রোহিঙ্গা পরিবার ঘুম থেকে উঠে জীবন বাঁচাতে ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে পৃথক স্থানে পুকুরে ডুবে ৩ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টা শেষে সকাল ৭টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। এর মধ্যে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি ঘর আগুনে পুড়ে যায়।

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি হাসপাতাল আগুনে পুড়ে যায়। একই মাসের ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পেও আগুনে ১০টির বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যরাতে উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুন, ক্ষতিগ্রস্ত চার শতাধিক বসতঘর

আপডেট সময় ০৯:৫৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

 

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার একটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সোমবার গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

রাত প্রায় ৩টার দিকে পালংখালী ইউনিয়নের শফিউল্লাহ কাটা এলাকায় অবস্থিত ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ক্যাম্পের ডি-৪ ব্লকে ব্র্যাক পরিচালিত একটি লার্নিং সেন্টার থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। অল্প সময়ের মধ্যেই তা আশপাশের বসতঘর ও শেডে ছড়িয়ে পড়ে।ঘনবসতিপূর্ণ ক্যাম্প এলাকায় গভীর রাতে আগুন লাগায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক রোহিঙ্গা পরিবার ঘুম থেকে উঠে জীবন বাঁচাতে ঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

আরও পড়ুন  কক্সবাজারে সরিষা চাষে কৃষকদের নতুন সম্ভাবনা: আবাদ বাড়ানোর পরিকল্পনা

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টা শেষে সকাল ৭টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। এর মধ্যে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০টি ঘর আগুনে পুড়ে যায়।

এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য নিশ্চিত করা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের একটি হাসপাতাল আগুনে পুড়ে যায়। একই মাসের ২৫ ডিসেম্বর রাতে কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পেও আগুনে ১০টির বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতি নিয়ে রোহিঙ্গাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।