ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানি: সিরাজগঞ্জ থেকে ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫
  • / 809

ছবি সংগৃহীত

 

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ মে) রাতে সিরাজগঞ্জ সদর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আরও পড়ুন  গ্রেফতার হলেন আওয়ামী লীগের সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী

সোমবার (২৬ মে) সকালে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রহিমপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে সাব্বির হোসেন (৩৪), আব্দুল হামিদ সরকারের ছেলে সিহাব সরকার (২৭), ও মৃত ইমান আলী শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে লুট হওয়া নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার এবং ১৯টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, গত ২০ মে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার আবদুল্লাহপুর থেকে আল ইমরান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পথে সাভারের নরসিংহপুর, বাইপাইল ও আশুলিয়া এলাকা থেকে আরও কিছু যাত্রী বাসে ওঠেন।

বাসটিতে মোট ৩৮ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১০ জন নারী। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা অতিক্রম করে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তে পৌঁছায়। তখন যাত্রীবেশে থাকা ৮-১০ জন ডাকাত হঠাৎ দেশীয় অস্ত্রের মুখে চালকের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং বাসটি থামিয়ে যাত্রীদের ওপর হামলা চালায়।

ডাকাতরা একে একে সব যাত্রীদের তল্লাশি করে মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণে রেখে তারা সাভারের চন্দ্রা ও আশুলিয়া এলাকায় কয়েকবার ঘুরিয়ে নিয়ে যায় এবং একপর্যায়ে বাসটি রেখে যায় টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকায়।

এ ঘটনায় নির্যাতিত যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানি: সিরাজগঞ্জ থেকে ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:২১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ মে ২০২৫

 

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় তিনজন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৫ মে) রাতে সিরাজগঞ্জ সদর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আরও পড়ুন  ডাকাত দলের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিবি-মিরপুর

সোমবার (২৬ মে) সকালে টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন—সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রহিমপুর গ্রামের সানোয়ার হোসেনের ছেলে সাব্বির হোসেন (৩৪), আব্দুল হামিদ সরকারের ছেলে সিহাব সরকার (২৭), ও মৃত ইমান আলী শেখের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭)।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে লুট হওয়া নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার এবং ১৯টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, গত ২০ মে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার আবদুল্লাহপুর থেকে আল ইমরান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। পথে সাভারের নরসিংহপুর, বাইপাইল ও আশুলিয়া এলাকা থেকে আরও কিছু যাত্রী বাসে ওঠেন।

বাসটিতে মোট ৩৮ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে ১০ জন নারী। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাসটি টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা অতিক্রম করে যমুনা সেতুর পূর্ব প্রান্তে পৌঁছায়। তখন যাত্রীবেশে থাকা ৮-১০ জন ডাকাত হঠাৎ দেশীয় অস্ত্রের মুখে চালকের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং বাসটি থামিয়ে যাত্রীদের ওপর হামলা চালায়।

ডাকাতরা একে একে সব যাত্রীদের তল্লাশি করে মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়। পরে বাসটি নিয়ন্ত্রণে রেখে তারা সাভারের চন্দ্রা ও আশুলিয়া এলাকায় কয়েকবার ঘুরিয়ে নিয়ে যায় এবং একপর্যায়ে বাসটি রেখে যায় টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকায়।

এ ঘটনায় নির্যাতিত যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।