ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

তারেক রহমানসহ আটজন ঘুষ মামলায় পেলেন বেকসুর খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 377

ছবি: সংগৃহীত

 

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. আবু তাহের রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  যশোরে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়েছে জেলা ও দায়রা জজ আদালত

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু, ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার ছেলে সাফিয়াত সোবহান, সাদাত সোবহান এবং ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন করা হয়েছিল।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর এ বিষয়ে ঢাকার রমনা থানায় একটি দুর্নীতির মামলা করে। মামলায় তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তের ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৪ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বলেন, প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো।

মামলার রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এ রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানসহ আটজন ঘুষ মামলায় পেলেন বেকসুর খালাস

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. আবু তাহের রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  শীর্ষ আলোচনায় বিএনপি ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশন: দ্বিতীয় দিনের বৈঠক আজ

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু, ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার ছেলে সাফিয়াত সোবহান, সাদাত সোবহান এবং ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন করা হয়েছিল।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর এ বিষয়ে ঢাকার রমনা থানায় একটি দুর্নীতির মামলা করে। মামলায় তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তের ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৪ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বলেন, প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো।

মামলার রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এ রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।