ঢাকা ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
রামেক হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি কমাতে বসছে একক ‘অ্যাম্বুলেন্স সেন্টার’ বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ আজ নাটোরে ৪৫ টাকা চা বিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২ মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত

তারেক রহমানসহ আটজন ঘুষ মামলায় পেলেন বেকসুর খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫
  • / 462

ছবি: সংগৃহীত

 

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. আবু তাহের রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে মমতার শুভেচ্ছা: পাঠালেন মিষ্টিও

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু, ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার ছেলে সাফিয়াত সোবহান, সাদাত সোবহান এবং ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন করা হয়েছিল।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর এ বিষয়ে ঢাকার রমনা থানায় একটি দুর্নীতির মামলা করে। মামলায় তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তের ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৪ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বলেন, প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো।

মামলার রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এ রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানসহ আটজন ঘুষ মামলায় পেলেন বেকসুর খালাস

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ মার্চ ২০২৫

 

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আটজনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মো. আবু তাহের রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এই রায় ঘোষণা করেন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর আদালত সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন  তারেক রহমানকে মমতার শুভেচ্ছা: পাঠালেন মিষ্টিও

খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন তারেক রহমানের এপিএস মিয়া নুর উদ্দিন অপু, ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, তার ছেলে সাফিয়াত সোবহান, সাদাত সোবহান এবং ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পরে অভিযোগ ওঠে, ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ লেনদেন করা হয়েছিল।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর এ বিষয়ে ঢাকার রমনা থানায় একটি দুর্নীতির মামলা করে। মামলায় তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়। পরে তদন্তের ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল দুদক আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। একই বছরের ১৪ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত বলেন, প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সকল আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হলো।

মামলার রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এ রায়কে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেন। তবে রাষ্ট্রপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছে।