ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঢাকাসহ ৪ বিভাগে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা: বাড়তে পারে দিনের তাপমাত্রা দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে আর জড়াবে না যুক্তরাষ্ট্র: ফক্স নিউজকে জেডি ভ্যান্স ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে ইউক্রেন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫
  • / 165

ছবি সংগৃহীত

 

ইউক্রেন যে কোনো সময় খনিজ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

আল জাজিরার বরাত দিয়ে জানা যায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই চিঠির কথা উল্লেখ করেন। এতে ইউক্রেন সংকট সমাধানে আলোচনার টেবিলে বসতে জেলেনস্কির আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে।

আরও পড়ুন  লন্ডনে ইউক্রেন সংকট নিরসনে ইউরোপীও নেতাদের সম্মেলন, জোটবদ্ধ হওয়ার আহ্বান স্টারমারের

ট্রাম্প কংগ্রেসের অধিবেশনে জেলেনস্কির চিঠিটি পড়ে শোনান, যেখানে বলা হয়, ‘‘স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। ইউক্রেনীয় জনগণের চেয়ে শান্তির প্রয়োজন আর কেউ বেশি বোঝে না।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘‘আমেরিকা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় যে ভূমিকা রেখেছে, আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি খনিজ ও নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে আমরা প্রস্তুত।’’

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য এবং চিঠির বিষয়বস্তু ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, জেলেনস্কির সঙ্গে তার সম্পর্কের কিছুটা উষ্ণতা ফিরে আসছে। এটি রাশিয়াও গভীর দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করছে, কারণ ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের অংশগ্রহণ ছাড়া যুদ্ধের অবসান সম্ভব নয়।

এদিকে, রাশিয়া থেকে আসা ইঙ্গিতে বোঝা যাচ্ছে যে, তারা এখন শান্তি আলোচনার জন্য আগ্রহী। যদিও কূটনৈতিক মহল বলছে, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় বিজয়ীর পক্ষ নেয়, তাই ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় যুদ্ধের ফলাফল এখনও অনিশ্চিত।

তবুও, বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে রাশিয়ার ভূখণ্ড ও সম্পদের দিক থেকে কৌশলগত সুবিধা রয়েছে। ফলে এই যুদ্ধের সমাধান শুধু আলোচনা নয়, বাস্তব শক্তির ভিত্তিতেও নির্ধারিত হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক খনিজ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে ইউক্রেন

আপডেট সময় ১০:২২:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

 

ইউক্রেন যে কোনো সময় খনিজ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির কাছ থেকে একটি চিঠি পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

আল জাজিরার বরাত দিয়ে জানা যায়, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার মার্কিন কংগ্রেসের এক যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় ট্রাম্প এই চিঠির কথা উল্লেখ করেন। এতে ইউক্রেন সংকট সমাধানে আলোচনার টেবিলে বসতে জেলেনস্কির আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে।

আরও পড়ুন  ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি

ট্রাম্প কংগ্রেসের অধিবেশনে জেলেনস্কির চিঠিটি পড়ে শোনান, যেখানে বলা হয়, ‘‘স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। ইউক্রেনীয় জনগণের চেয়ে শান্তির প্রয়োজন আর কেউ বেশি বোঝে না।’’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘‘আমেরিকা আমাদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় যে ভূমিকা রেখেছে, আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি খনিজ ও নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে আমরা প্রস্তুত।’’

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের বক্তব্য এবং চিঠির বিষয়বস্তু ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, জেলেনস্কির সঙ্গে তার সম্পর্কের কিছুটা উষ্ণতা ফিরে আসছে। এটি রাশিয়াও গভীর দৃষ্টিতে পর্যবেক্ষণ করছে, কারণ ইউক্রেনীয় নেতৃত্বের অংশগ্রহণ ছাড়া যুদ্ধের অবসান সম্ভব নয়।

এদিকে, রাশিয়া থেকে আসা ইঙ্গিতে বোঝা যাচ্ছে যে, তারা এখন শান্তি আলোচনার জন্য আগ্রহী। যদিও কূটনৈতিক মহল বলছে, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় বিজয়ীর পক্ষ নেয়, তাই ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় যুদ্ধের ফলাফল এখনও অনিশ্চিত।

তবুও, বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে রাশিয়ার ভূখণ্ড ও সম্পদের দিক থেকে কৌশলগত সুবিধা রয়েছে। ফলে এই যুদ্ধের সমাধান শুধু আলোচনা নয়, বাস্তব শক্তির ভিত্তিতেও নির্ধারিত হতে পারে।