পরিচয় লুকাতে নারী সেজে ৮ বছর, ফিঙ্গারপ্রিন্টে ধরা
- আপডেট সময় ১২:১৫:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / 17
সাজা এড়াতে টানা আট বছর নারীর ছদ্মবেশে আত্মগোপনে ছিলেন তুরস্কের এক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তবে শেষ পর্যন্ত পুলিশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষায় ধরা পড়েছেন তুঘরুল বাশার নামের ওই ব্যক্তি।
২০১০ সালে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে তিনটি ডাকাতির ঘটনায় আদালত তাকে কারাদণ্ড দেন। তবে কারাভোগ এড়াতে ২০১৮ সাল থেকে আত্মগোপনে চলে যান তিনি। এরপর দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ।
সম্প্রতি ইস্তাম্বুলের কাদিকয় জেলায় পলাতক আসামিদের ধরতে বিশেষ অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় বাশারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তার পরিবর্তিত চেহারা দেখে প্রথমে তাকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
পুলিশের নজরে আসে, বাশারের বোনের পরিচয় ব্যবহার করে দুজন তরুণী যাতায়াত করছেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাদের ওপর নজরদারি শুরু করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই দুই নারীর একজন আসলে পলাতক বাশার।
গ্রেপ্তারের সময় তার কাছে বোনের পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। তবে আঙুলের ছাপ যাচাই করে পরিচয় গোপনের বিষয়টি নিশ্চিত হয় পুলিশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চেহারা ও বাহ্যিক অবয়ব আমূল পরিবর্তন করলেও শেষ পর্যন্ত আইনের হাত থেকে রেহাই পাননি বাশার। তুরস্কের সিভিল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থায় নিজের নাম ও লিঙ্গ পরিবর্তন না করায় তাকে পুরুষদের কারাগারেই পাঠানো হচ্ছে।























