ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’: ঢাবি ভিসি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / 18

ছবি: সংগৃহীত

‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং হয়তো অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে আমাদের পরিচিত হতে হতো। এ জন্য তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। তাঁর ভাষ্য, জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন  সবার অবদানের স্বীকৃতি জরুরি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

১৯৭৫ সালের ওই সময়ের ঘটনা তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। ৭ নভেম্বরকে সিপাহি-জনতার বিপ্লব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহি-জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে কাঁধ মিলিয়ে তাঁকে নিয়ে আসে।’

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের আওতায় বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন। তাঁর হাত ধরেই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে আসে বলে মন্তব্য করেন তিনি। উপাচার্যের ভাষ্য, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টিতেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল।

৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এটি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। প্রতিটি মুহূর্তে এই দিনটি মনে রাখতে হবে।’ বক্তব্যের শেষে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ উচ্চারণ করেন।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান ঢাবি উপাচার্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, সমস্ত অবদান জিয়াউর রহমানের’: ঢাবি ভিসি

আপডেট সময় ০৮:২৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

‘আজ যা কিছু সুন্দর, যা কিছু সফল, তার সমস্ত অবদান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, ৭ নভেম্বর না ঘটলে বাংলাদেশ নামক দেশটির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব থাকত না এবং হয়তো অন্য কোনো দেশের প্রদেশ হিসেবে আমাদের পরিচিত হতে হতো। এ জন্য তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন। তাঁর ভাষ্য, জিয়াউর রহমানকে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সূচিত হয়। ওই সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। দেশি-বিদেশি আধিপত্যবাদ, পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থান ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্য দিয়ে ৩ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত দেশ চরম দুর্বিষহ সময় পার করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আরও পড়ুন  সবার অবদানের স্বীকৃতি জরুরি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

১৯৭৫ সালের ওই সময়ের ঘটনা তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়েছিল। পরে সিপাহি ও সাধারণ মানুষ সম্মিলিতভাবে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে এবং জাতির প্রয়োজনে রাষ্ট্রের দায়িত্বে বসায়। ৭ নভেম্বরকে সিপাহি-জনতার বিপ্লব হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি ছিল সিপাহি-জনতার বিপ্লব এবং সবাই সংহতি প্রকাশ করে কাঁধ মিলিয়ে তাঁকে নিয়ে আসে।’

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। এই পরিচয়ের আওতায় বাঙালির পাশাপাশি চাকমা, মারমা, মগ, মুরং, গারো ও খাসিয়াসহ দেশের সব জাতিগোষ্ঠীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে কাজ করেছেন। তাঁর হাত ধরেই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে আসে বলে মন্তব্য করেন তিনি। উপাচার্যের ভাষ্য, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনীতি করার সুযোগ সৃষ্টিতেও জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল।

৭ নভেম্বরকে জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রতীক হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের এই দিনটিকে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। এটি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখতে হবে। প্রতিটি মুহূর্তে এই দিনটি মনে রাখতে হবে।’ বক্তব্যের শেষে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ উচ্চারণ করেন।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিতভাবে কাজ করারও আহ্বান জানান ঢাবি উপাচার্য।