ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভি পিল্লাই

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 31

ছবি সংগৃহীত

 

আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া আইনজ্ঞ নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই—এমনটাই দাবি করা হয়েছে প্রকাশিত প্রতিবেদনে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলোতে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেন নরওয়েজীয় নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়োরগেন ভাটনে ফ্রিডনেস বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের পরিধি ও প্রভাব বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পিল্লাই। সাহসিকতার সঙ্গে আরও সমন্বিত বৈশ্বিক আইনব্যবস্থা গড়ে তোলার পথ দেখিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন  দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে লাবুশেনে আস্থা রেখেই টেস্ট দল ঘোষণা দিল অস্ট্রেলিয়া

পিল্লাইয়ের নৈতিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান তাকে ‘দৃঢ় নৈতিক কম্পাসের অধিকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্যের কঠিন পরিস্থিতিতে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন নাভি পিল্লাই। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে মানবাধিকার সুরক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক আইনের শাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মতো গুরুতর অপরাধের বিচার এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে তার কর্মজীবনে।

পিল্লাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফর রুয়ান্ডা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোবেল কমিটির মূল্যায়ন হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে পিল্লাইয়ের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তার কাজ বিশ্বজুড়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো শক্তিশালী করার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়েছে।

১৯০১ সাল থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবাধিকারের মতো ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার বিশ্বজুড়ে বিশেষ মর্যাদা বহন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তিতে নোবেল পেলেন নাভি পিল্লাই

আপডেট সময় ০৬:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

 

আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া আইনজ্ঞ নাভানেথেম ‘নাভি’ পিল্লাই—এমনটাই দাবি করা হয়েছে প্রকাশিত প্রতিবেদনে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলোতে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেন নরওয়েজীয় নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান ইয়োরগেন ভাটনে ফ্রিডনেস বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের পরিধি ও প্রভাব বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন পিল্লাই। সাহসিকতার সঙ্গে আরও সমন্বিত বৈশ্বিক আইনব্যবস্থা গড়ে তোলার পথ দেখিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন  লাল কার্ডের রেকর্ডে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু মেক্সিকোর

পিল্লাইয়ের নৈতিক দৃঢ়তার প্রশংসা করে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান তাকে ‘দৃঢ় নৈতিক কম্পাসের অধিকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবৈষম্যের কঠিন পরিস্থিতিতে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন নাভি পিল্লাই। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে মানবাধিকার সুরক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক আইনের শাসন নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ করেছেন তিনি।

আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মতো গুরুতর অপরাধের বিচার এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে তার কর্মজীবনে।

পিল্লাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফর রুয়ান্ডা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ছিলেন। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোবেল কমিটির মূল্যায়ন হিসেবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে পিল্লাইয়ের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তার কাজ বিশ্বজুড়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো শক্তিশালী করার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়েছে।

১৯০১ সাল থেকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও মানবাধিকারের মতো ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার বিশ্বজুড়ে বিশেষ মর্যাদা বহন করে।