ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :

সার মজুতের ঘটনায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৩১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • / 29

ছবি: সংগৃহীত

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার মজুতের ঘটনায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ মো. মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত (পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ) বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে তিনি সংগঠনটির উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর পদেও আর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম।

তিনি জানান, মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী, রুকনিয়াত হারানোর পর তিনি আর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন  শেষ মুহূর্তে স্থগিত ১১ দলের আসন সমঝোতা ঘোষণার প্রেস ব্রিফিং

জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কাঠামোতে রুকন বা পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ সর্বোচ্চ স্তরের সদস্যপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্ধারিত সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্ত পূরণের মাধ্যমে একজন কর্মী এই সদস্যপদ অর্জন করেন।

এর আগে ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানে নির্ধারিত বিধিবিধান লঙ্ঘন করে সার মজুতের অভিযোগে তাঁকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গুদামে থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।

মনিরুল ইসলাম ছোট ধোপাকান্দি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সার মজুতের ঘটনায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা

আপডেট সময় ০১:৩১:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার মজুতের ঘটনায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ মো. মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত (পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ) বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে তিনি সংগঠনটির উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর পদেও আর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম।

তিনি জানান, মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী, রুকনিয়াত হারানোর পর তিনি আর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

আরও পড়ুন  শেষ মুহূর্তে স্থগিত ১১ দলের আসন সমঝোতা ঘোষণার প্রেস ব্রিফিং

জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কাঠামোতে রুকন বা পূর্ণাঙ্গ সদস্যপদ সর্বোচ্চ স্তরের সদস্যপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্ধারিত সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্ত পূরণের মাধ্যমে একজন কর্মী এই সদস্যপদ অর্জন করেন।

এর আগে ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন।

অভিযানে নির্ধারিত বিধিবিধান লঙ্ঘন করে সার মজুতের অভিযোগে তাঁকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গুদামে থাকা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।

মনিরুল ইসলাম ছোট ধোপাকান্দি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।