দুই শিশুর বিরোধের জেরে ৮ বছরের শিশুর আঙুল কাটার অভিযোগ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে
- আপডেট সময় ১২:৫৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 54
নাটোর শহরে দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়ার জেরে বায়েজিদ (৮) নামের এক শিশুর হাতের আঙুল কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের বড়হরিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
আহত বায়েজিদকে ঘটনার পর প্রথমে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তার শারীরিক অবস্থার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বায়েজিদ চেয়ারম্যান রোড এলাকার বাসিন্দা এবং ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের ছেলে। সে নাটোর পুলিশ লাইনস স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বায়েজিদের বাবা মাহমুদুল হাসান পেশায় ব্যাংক কর্মকর্তা এবং বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত। স্ত্রী ও সন্তানরা নাটোর শহরের চেয়ারম্যান রোডে তাদের নিজস্ব বাড়িতে থাকেন। ওই বাড়ির একটি অংশ ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত কনস্টেবল শাকিল আহমেদ। শাকিলের চার বছর বয়সী মেয়ের সঙ্গে বায়েজিদের নিয়মিত খেলাধুলা হতো। একপর্যায়ে খেলাকে কেন্দ্র করে দুই শিশুর মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, শিশুদের মধ্যে বিরোধের বিষয়টি জানার পর কনস্টেবল শাকিল বায়েজিদকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সেখানে ধারালো কোনো বস্তু ব্যবহার করে তার ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন সেখানে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন এবং পরে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।
ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে কনস্টেবল শাকিল আহমেদের বাসায় গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। কনস্টেবল শাকিল তার মেয়েকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে—এমন মৌখিক অভিযোগ তুলে চিকিৎসা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।
ওসি বলেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, কোনো পরিস্থিতিতেই শিশুর হাতের আঙুল কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।


























