সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিকের অনুমোদন বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- আপডেট সময় ০২:১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 28
সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, বর্তমানে অনুমোদন থাকা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো যথাযথভাবে পরিচালিত না হলে সেগুলোর অনুমোদনও বাতিল করে দেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে যেসব ক্লিনিকের বর্তমানে অনুমোদন রয়েছে, সেগুলো নিয়ম অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না, তা দেখা হবে। যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।
গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম থাকার পরও সাপের কামড়ে রোগীর মৃত্যুর বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সাপের কামড়ের পর রোগী বিষধর সাপের দংশনের শিকার হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতে অনেক সময় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছাতে দেরি হলে রোগীর অবস্থা গুরুতর হয়ে যেতে পারে।
সাপের দংশনের পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টিভেনম মজুত রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
এ ছাড়া একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপন এবং পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
পরিদর্শনের সময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় মন্ত্রীর নজরে আনেন। এসব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। আরও উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন তিথি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার নুসরাত ফারজানা খানসহ সংশ্লিষ্টরা।

























