ঢাকা ০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নতুন আইন করছে মোদী সরকার বিপাকে মুসলিমরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 23

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন (ইউসিসি) কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তিনি এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাসের কথা জানান।

ভারতের ১৪০ কোটির বেশি মানুষ একই ধরনের ফৌজদারি আইনের আওতায় থাকলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকারের মতো ব্যক্তিগত বিষয়ে ধর্ম ও সম্প্রদায়ভেদে ভিন্ন আইন ও রীতি অনুসরণ করা হয়। এসব ভিন্নতার পরিবর্তে সবার জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা বিজেপির দীর্ঘদিনের অন্যতম রাজনৈতিক লক্ষ্য।

অমিত শাহ বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের কয়েকটি রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন কার্যকর হয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যেই এ আইন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন  ভারত-ইরান-কাবুল বাণিজ্য রুট নিয়ে নতুন যুগের আলোচনা

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি রাজ্যে ইউসিসি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালুর উদ্যোগ নিয়ে ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, নতুন আইন কার্যকর হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং নিজস্ব পারিবারিক রীতি অনুসরণের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অন্যদিকে ইউসিসির সমর্থকদের দাবি, এ আইন নারীদের জন্য আরও সমান অধিকার নিশ্চিত করবে। এর আওতায় বহুবিবাহ বন্ধ করা, ছেলে-মেয়ের সমান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করার মতো বিধান আনার কথা বলা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই

নিউজটি শেয়ার করুন

নতুন আইন করছে মোদী সরকার বিপাকে মুসলিমরা

আপডেট সময় ০২:৫৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) শাসিত ২১টি রাজ্যে ২০২৯ সালের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন (ইউসিসি) কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তিনি এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাসের কথা জানান।

ভারতের ১৪০ কোটির বেশি মানুষ একই ধরনের ফৌজদারি আইনের আওতায় থাকলেও বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ ও উত্তরাধিকারের মতো ব্যক্তিগত বিষয়ে ধর্ম ও সম্প্রদায়ভেদে ভিন্ন আইন ও রীতি অনুসরণ করা হয়। এসব ভিন্নতার পরিবর্তে সবার জন্য একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু করা বিজেপির দীর্ঘদিনের অন্যতম রাজনৈতিক লক্ষ্য।

অমিত শাহ বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটের কয়েকটি রাজ্যে ইতোমধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন কার্যকর হয়েছে। ২০২৯ সালের মধ্যে এনডিএ শাসিত ২১টি রাজ্যেই এ আইন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন   তৃণমূলের দুর্গে ধস: তারকা প্রার্থীদের ভরাডুবিতে বিজেপির হাতে পশ্চিমবঙ্গ

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত অন্তত চারটি রাজ্যে ইউসিসি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালুর উদ্যোগ নিয়ে ভারতের মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। তাদের আশঙ্কা, নতুন আইন কার্যকর হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং নিজস্ব পারিবারিক রীতি অনুসরণের অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

অন্যদিকে ইউসিসির সমর্থকদের দাবি, এ আইন নারীদের জন্য আরও সমান অধিকার নিশ্চিত করবে। এর আওতায় বহুবিবাহ বন্ধ করা, ছেলে-মেয়ের সমান উত্তরাধিকার নিশ্চিত করা এবং বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া দেওয়ানি আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করার মতো বিধান আনার কথা বলা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই