ঢাকা ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রিয়ালকে হারিয়ে বেতিসের চমক, পেনাল্টি মিস এমবাপ্পের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 9

ছবি: সংগৃহীত

লা লিগায় দুর্দান্ত শুরুর পর চতুর্থ ম্যাচেই হারের স্বাদ পেল রিয়াল মাদ্রিদ। টানা তিন জয়ের পর রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে পয়েন্ট খোয়াল কার্লো আনচেলত্তির দল। ম্যাচের শেষ দিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে পেনাল্টি থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া করে মাদ্রিদ।

শুক্রবার রাতে শুরু থেকেই ম্যাচে আক্রমণাত্মক ছিল রিয়াল। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও স্বাগতিকদের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধে এমবাপ্পের সামনে গোল করার দুটি ভালো সুযোগ এসেছিল। তবে তার প্রথম প্রচেষ্টা নাতানের শরীরে বাধা পায়, আর পরেরটি মার্ক বার্ত্রার দুর্দান্ত ব্লকে আটকে যায়।

বিরতির পরও গোলের জন্য চাপ বাড়াতে থাকে মাদ্রিদ। জুড বেলিংহামের শটও আটকে দেন বেতিস গোলরক্ষক ভালেস। ম্যাচের একপর্যায়ে এমবাপ্পের আরেকটি প্রচেষ্টা বারের অল্প পাশ দিয়ে চলে যায়।

আরও পড়ুন  ‘ভেবেছিলাম আমিই দলকে ডুবিয়ে দিলাম’— মেসি

অন্যদিকে, শেষ বাঁশির প্রায় দশ মিনিট আগে হঠাৎ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায় বেতিস। নেলসন দেওসার হেড কোর্তোয়া ঠেকালেও বলটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে গোল করেন প্যারট। এ ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর এটিই তার প্রথম গোল। গ্রীষ্মের দলবদলে এজেড আলকমার থেকে বেতিসে এসেছিলেন তিনি।

গোল হজমের পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে রিয়াল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে এমবাপ্পের জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। কিছুক্ষণ পর বদলি খেলোয়াড় কার্লোস এসপির শট জালে জড়ালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সেটি বাতিল করা হয়।

শেষ মুহূর্তে আরও বড় সুযোগ পায় মাদ্রিদ। বক্সের ভেতর ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করেন বেতিসের ডিফেন্ডার নাতান। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। সমতা ফেরানোর দায়িত্ব নেন এমবাপ্পে।

তবে স্পট-কিক থেকে তার নেওয়া শট ছিল অপেক্ষাকৃত দুর্বল। বেতিস গোলরক্ষক ভালেস ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি আটকে দেন। ফলে রিয়ালের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাতটি পেনাল্টি সফলভাবে নেওয়ার এমবাপ্পের ধারাও থেমে যায়।

পেনাল্টিটি পুনরায় নেওয়ার দাবি তোলে রিয়াল মাদ্রিদ। তাদের অভিযোগ ছিল, শট নেওয়ার আগেই মার্ক বার্ত্রা গোললাইন থেকে সামনে চলে এসেছিলেন। তবে রেফারি ও ভিএআর কর্তৃপক্ষ সেই দাবি গ্রহণ করেননি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল বেতিস।

এই পরাজয়ের ফলে ২০১৪-১৫ মৌসুমের পর এবারই প্রথম লা লিগায় নিজেদের প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে একটিতে হারের মুখ দেখল রিয়াল মাদ্রিদ।

এদিকে, আগামীকাল রোববার ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বার্সেলোনা। ওই ম্যাচে জয় পেলে রিয়ালের চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে কাতালান ক্লাবটির।

নিউজটি শেয়ার করুন

রিয়ালকে হারিয়ে বেতিসের চমক, পেনাল্টি মিস এমবাপ্পের

আপডেট সময় ০৮:৪১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লা লিগায় দুর্দান্ত শুরুর পর চতুর্থ ম্যাচেই হারের স্বাদ পেল রিয়াল মাদ্রিদ। টানা তিন জয়ের পর রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে পয়েন্ট খোয়াল কার্লো আনচেলত্তির দল। ম্যাচের শেষ দিকে কিলিয়ান এমবাপ্পে পেনাল্টি থেকেও গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া করে মাদ্রিদ।

শুক্রবার রাতে শুরু থেকেই ম্যাচে আক্রমণাত্মক ছিল রিয়াল। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও স্বাগতিকদের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধে এমবাপ্পের সামনে গোল করার দুটি ভালো সুযোগ এসেছিল। তবে তার প্রথম প্রচেষ্টা নাতানের শরীরে বাধা পায়, আর পরেরটি মার্ক বার্ত্রার দুর্দান্ত ব্লকে আটকে যায়।

বিরতির পরও গোলের জন্য চাপ বাড়াতে থাকে মাদ্রিদ। জুড বেলিংহামের শটও আটকে দেন বেতিস গোলরক্ষক ভালেস। ম্যাচের একপর্যায়ে এমবাপ্পের আরেকটি প্রচেষ্টা বারের অল্প পাশ দিয়ে চলে যায়।

আরও পড়ুন  সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত ফ্রান্সের

অন্যদিকে, শেষ বাঁশির প্রায় দশ মিনিট আগে হঠাৎ এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যায় বেতিস। নেলসন দেওসার হেড কোর্তোয়া ঠেকালেও বলটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে গোল করেন প্যারট। এ ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর এটিই তার প্রথম গোল। গ্রীষ্মের দলবদলে এজেড আলকমার থেকে বেতিসে এসেছিলেন তিনি।

গোল হজমের পর সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে রিয়াল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে এমবাপ্পের জোরালো শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। কিছুক্ষণ পর বদলি খেলোয়াড় কার্লোস এসপির শট জালে জড়ালেও ভিএআর পর্যালোচনার পর সেটি বাতিল করা হয়।

শেষ মুহূর্তে আরও বড় সুযোগ পায় মাদ্রিদ। বক্সের ভেতর ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করেন বেতিসের ডিফেন্ডার নাতান। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। সমতা ফেরানোর দায়িত্ব নেন এমবাপ্পে।

তবে স্পট-কিক থেকে তার নেওয়া শট ছিল অপেক্ষাকৃত দুর্বল। বেতিস গোলরক্ষক ভালেস ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি আটকে দেন। ফলে রিয়ালের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা সাতটি পেনাল্টি সফলভাবে নেওয়ার এমবাপ্পের ধারাও থেমে যায়।

পেনাল্টিটি পুনরায় নেওয়ার দাবি তোলে রিয়াল মাদ্রিদ। তাদের অভিযোগ ছিল, শট নেওয়ার আগেই মার্ক বার্ত্রা গোললাইন থেকে সামনে চলে এসেছিলেন। তবে রেফারি ও ভিএআর কর্তৃপক্ষ সেই দাবি গ্রহণ করেননি। শেষ পর্যন্ত ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে রিয়াল বেতিস।

এই পরাজয়ের ফলে ২০১৪-১৫ মৌসুমের পর এবারই প্রথম লা লিগায় নিজেদের প্রথম চার ম্যাচের মধ্যে একটিতে হারের মুখ দেখল রিয়াল মাদ্রিদ।

এদিকে, আগামীকাল রোববার ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে বার্সেলোনা। ওই ম্যাচে জয় পেলে রিয়ালের চেয়ে তিন পয়েন্টে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে কাতালান ক্লাবটির।