মানবতাবিরোধী অপরাধের মা*ম*লায় তিন সাংবাদিককে আসামি করা হচ্ছে
- আপডেট সময় ০৩:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬
- / 33
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপাকে আসামি করা হচ্ছে। আগামী ২৪ আগস্ট তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার (১৭ আগস্ট) প্রসিকিউশনের আবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষকে তাদের আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। হাজির করার পর এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হবে বলে জানা গেছে।
প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালকে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে গণভবনে অনুষ্ঠিত একটি সংবাদ সম্মেলনে ওই তিন সাংবাদিক মামলায় উল্লেখ করা অপরাধে প্ররোচনা দিয়েছেন।
শেখ হাসিনার চীন সফর নিয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে কোটা আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি ‘রাজাকার’ শব্দ ব্যবহার করে মন্তব্য করেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ওই মন্তব্যকে অবমাননাকর হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপর ১৪ জুলাই রাত থেকে বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু হয়।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ১৪ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে একটি ‘বিকল্প বয়ান’ তৈরিতে ভূমিকা রেখেছিলেন শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপা।
মামলার নথি অনুযায়ী, ওই সময়ে মোজাম্মেল হক বাবু একাত্তর টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ফারজানা রুপা ছিলেন একই প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রতিবেদক। অন্যদিকে শ্যামল দত্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সাংবাদিক, লেখকসহ বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের বিপক্ষে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা পৃথকভাবে তদন্ত করছে।
এদিকে ২০১৩ সালে মতিঝিলের শাপলা চত্বর ও নারায়ণগঞ্জে হেফাজতে ইসলামের কর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের আরেকটি মামলাতেও মোজাম্মেল হক বাবু ও ফারজানা রুপা বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন।























