উত্তপ্ত দিল্লি, বন্ধ মেট্রো: তেলাপোকা দমনে কঠোর পুলিশ,
- আপডেট সময় ০৪:১৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
- / 17
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। বুধবার, ২২ জুলাই রাজধানীর অন্তত ১৬টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, মান্ডি হাউস, আইটিও, খান মার্কেটসহ ১৬টি মেট্রো স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
ডিএমআরসি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে।
তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা চালু রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এর আগে নিট (এনইইটি) প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে সিজেপি সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়। এতে সাড়া দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ দিল্লিতে সমবেত হলে নিরাপত্তা বিবেচনায় প্রশাসন একাধিক পদক্ষেপ নেয়।
এদিকে, বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সরকারের সমালোচনা করেছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের কয়েকজন নেতাকে দিল্লি পুলিশ আটক করে। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
আটক অবস্থায় প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানান। তিনি নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ওপর অভিযানে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, বিক্ষোভ দমনের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা, বিষয়টি নিয়ে সংসদে আলোচনা এবং শিক্ষা ও পরীক্ষাব্যবস্থার দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।
























