আটকের ঘণ্টা কয়েক পর মুক্তি পেলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা
- আপডেট সময় ০৯:৩৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
- / 18
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার পর আটক হওয়া লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। একই ঘটনায় আটক আরও ৭০ জন বিক্ষোভকারীও মুক্তি পেয়েছেন।
বুধবার (২২ জুলাই) প্রকাশিত ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন রাহুল গান্ধী। সেখানে রাতভর অবস্থান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলে দিল্লি পুলিশ তাকে আটক করে। পরে ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করে মন্দির মার্গ থানায় রাখা হয়েছিল। কয়েক ঘণ্টা পর তাকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। রাতে কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী থানায় যান এবং কিছু সময় অবস্থান শেষে ফিরে আসেন।
এদিকে সোমবার (২০ জুলাই) পুলিশ ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় আটক আরও ৭০ জনকে মঙ্গলবার মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। একই সঙ্গে সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে ছয়টি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধীর কর্মসূচির সমালোচনা করে বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে তার আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং এটি ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কালো দিন।
অন্যদিকে, রাতে যন্তর মন্তর এলাকায় পৌঁছে সিজেপির বিক্ষোভে যোগ দেন মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে।
এর আগে মঙ্গলবার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনের সামনে দলটির নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকারি বাসভবন ৭ লোক কল্যাণ মার্গের উদ্দেশে মিছিল বের করা হয়। মিছিলে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও অংশ নেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নিরাপত্তা জোরদার করে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেন। ঘটনাস্থলে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বললেও কংগ্রেস নেতারা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অনড় থাকেন।
এদিকে বিজেপির একটি সূত্রের দাবি, পুরো কর্মসূচি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অন্যদিকে, আম আদমি পার্টির নেতা সোমনাথ ভারতী অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী বিষয়টিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। তার দাবি, ছাত্র-যুবকদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাতে চাইলে রাহুলের যন্তর মন্তরে যাওয়া উচিত ছিল। সূত্র: কলকাতা টিভি।
























