দৌলতদিয়া ঘাটে নদীতে পড়া বাস উদ্ধার, প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি
- আপডেট সময় ০৩:০৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
- / 15
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি কয়েক ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর নদী থেকে তোলা হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। বাসের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে তারা শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
শুক্রবার (৫ জুন) বেলা ১২টার দিকে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ নদীর তলদেশ থেকে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে।
এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ৭ নম্বর পন্টুন এলাকায় কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
ঘাট-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, বাসটি ফেরি ‘কবরী’র কনভেনশন পকেট দিয়ে প্রবেশের সময় বিপরীত পাশের র্যাম্প ভেঙে নদীতে পড়ে যায়।
তবে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফেরিতে ওঠার আগে বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিলেন না এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. সালা উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ও ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে বাসটি নদী থেকে সফলভাবে তুলে আনা হয়।
গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক শরিফুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর চালকসহ তিনজনকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তাদের মধ্যে চালকের সহকারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তারা সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) একই ফেরিঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন এলাকায় কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। ওই দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই ঘটনার পর ফেরিঘাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।






















