ঢাকা ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 63

ছবি: সংগৃহীত

জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঘোষিত এ প্রস্তাবের তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা অনুযায়ী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ও বাণিজ্য কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের শুল্কে ১০ বিলিয়ন ইউরো লোকসানে পড়ছে জার্মান গাড়ি শিল্প, মার্সিডিজ-পোর্শে বিপর্যস্ত

প্রস্তাবে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশকে এমন অর্থনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা বাস্তবায়নে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।

এ ছাড়া কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কারণে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বা আংশিক বাণিজ্যিক ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। অন্যদিকে যেসব দেশের সঙ্গে এ ধরনের কোনো বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেই, তাদের পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক প্রযোজ্য হতে পারে।

তবে এই প্রস্তাব এখনই কার্যকর হচ্ছে না। ইউএসটিআর জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো লিখিত মতামত জমা দিতে পারবে।

একই সঙ্গে পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের জন্য পৃথক একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থারও প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য তুলনামূলক কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ সংক্রান্ত কোটা ও অন্যান্য শর্তাবলি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক

আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঘোষিত এ প্রস্তাবের তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা অনুযায়ী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ও বাণিজ্য কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য প্রসারিত, ভারতে রপ্তানি ঊর্ধ্বমুখী, আমদানি কমছে

প্রস্তাবে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশকে এমন অর্থনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা বাস্তবায়নে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।

এ ছাড়া কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কারণে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বা আংশিক বাণিজ্যিক ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। অন্যদিকে যেসব দেশের সঙ্গে এ ধরনের কোনো বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেই, তাদের পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক প্রযোজ্য হতে পারে।

তবে এই প্রস্তাব এখনই কার্যকর হচ্ছে না। ইউএসটিআর জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো লিখিত মতামত জমা দিতে পারবে।

একই সঙ্গে পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের জন্য পৃথক একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থারও প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য তুলনামূলক কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ সংক্রান্ত কোটা ও অন্যান্য শর্তাবলি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।