ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 17

ছবি: সংগৃহীত

জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঘোষিত এ প্রস্তাবের তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা অনুযায়ী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ও বাণিজ্য কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের পরও রেকর্ড ছাড়াল চীনের রপ্তানি বাণিজ্য

প্রস্তাবে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশকে এমন অর্থনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা বাস্তবায়নে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।

এ ছাড়া কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কারণে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বা আংশিক বাণিজ্যিক ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। অন্যদিকে যেসব দেশের সঙ্গে এ ধরনের কোনো বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেই, তাদের পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক প্রযোজ্য হতে পারে।

তবে এই প্রস্তাব এখনই কার্যকর হচ্ছে না। ইউএসটিআর জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো লিখিত মতামত জমা দিতে পারবে।

একই সঙ্গে পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের জন্য পৃথক একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থারও প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য তুলনামূলক কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ সংক্রান্ত কোটা ও অন্যান্য শর্তাবলি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক

আপডেট সময় ০৩:৪৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের ওপর অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করেছে দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর)।

মঙ্গলবার (২ জুন) ঘোষিত এ প্রস্তাবের তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৯৭৪ সালের বাণিজ্য আইনের ৩০১(বি) ধারা অনুযায়ী এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলোর পক্ষ থেকে জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানি ও বাণিজ্য কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতি তৈরি করছে।

আরও পড়ুন  দুর্নীতিমুক্ত বাণিজ্য পরিবেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: বাণিজ্য উপদেষ্টা

প্রস্তাবে বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডসহ ৫৪টি দেশকে এমন অর্থনীতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেগুলো জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের আমদানির ওপর কার্যকর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা বাস্তবায়নে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি।

এ ছাড়া কানাডা, মেক্সিকো ও পাকিস্তানসহ আরও ছয়টি দেশকে বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ার কারণে পৃথকভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমিত বা আংশিক বাণিজ্যিক ব্যবস্থা রয়েছে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। অন্যদিকে যেসব দেশের সঙ্গে এ ধরনের কোনো বাণিজ্যিক ব্যবস্থা নেই, তাদের পণ্যের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাড়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক প্রযোজ্য হতে পারে।

তবে এই প্রস্তাব এখনই কার্যকর হচ্ছে না। ইউএসটিআর জানিয়েছে, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনাধীন রয়েছে এবং এ বিষয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো লিখিত মতামত জমা দিতে পারবে।

একই সঙ্গে পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্যের জন্য পৃথক একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থারও প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই ব্যবস্থার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য তুলনামূলক কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ সংক্রান্ত কোটা ও অন্যান্য শর্তাবলি এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।