কুলখানির জন্য মুন্সীগঞ্জের পথে রামিসার বাবা-মা
- আপডেট সময় ০৩:৫৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
- / 98
রাজধানীর পল্লবীতে নিহত শিশু রামিসা আক্তারের কুলখানি ও মিলাদ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকা ছেড়েছেন তার বাবা-মা। শুক্রবার, ২২ মে দুপুরে তারা মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় শোকাহত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হন স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা মানববন্ধন, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। অনেকের হাতে হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
এলাকাজুড়ে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছিল বলে স্থানীয়রা জানান। তাদের ভাষ্য, এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে।
পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে সিরাজদিখানের পারিবারিক কবরস্থানে রামিসাকে দাফন করা হয়েছে। দাফনের সময় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
স্বজনদের দাবি, সন্তানের মৃত্যুতে রামিসার মা গভীরভাবে ভেঙে পড়েছেন। মেয়ের ব্যবহৃত পোশাক ও জিনিসপত্র জড়িয়ে ধরে তিনি কান্না করছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লাও মেয়েকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ছেন বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার, ১৯ মে সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, পরে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
একই ঘটনায় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






















