ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 147

ছবি সংগৃহীত

 

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোটের অধীনে নয়, বরং এককভাবেই প্রার্থী দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, স্থানীয় পর্যায়ের এই নির্বাচনে জামায়াত স্বাধীনভাবে তাদের প্রার্থী মনোনীত করবে এবং নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেবে।

নির্বাচনী কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি জানান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে স্থানীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ রাজনীতির পথে হাঁটবে না দল। বরং জোটের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি দল যাতে নিজ নিজ সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে আলাদাভাবে প্রার্থী দিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  যারা জামায়াতে থেকে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন, তারা রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকার রাখেন: মাহফুজ আলম।

মিয়া গোলাম পরওয়ার এই বিষয়ে আরও স্পষ্ট করে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটগত সমঝোতা বা আসন ভাগাভাগির কোনো বিষয় নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমানে প্রতিটি দলই তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় এবং গতিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতের এই অবস্থানের ফলে স্থানীয় নির্বাচনে দলগুলোর প্রকৃত জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

উল্লেখ্য যে, বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর জোটবদ্ধ অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তবে এবার এনসিপি এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করলেও তাতে দুই দলের সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মূলত সাংগঠনিক ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এই কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে দলটি।

জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বা স্বতন্ত্রভাবে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করলে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে এটি আগামী দিনের বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জামায়াত

আপডেট সময় ০২:৪৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

 

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক জোটের অধীনে নয়, বরং এককভাবেই প্রার্থী দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার জানিয়েছেন, স্থানীয় পর্যায়ের এই নির্বাচনে জামায়াত স্বাধীনভাবে তাদের প্রার্থী মনোনীত করবে এবং নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেবে।

নির্বাচনী কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি জানান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে স্থানীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ রাজনীতির পথে হাঁটবে না দল। বরং জোটের অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি দল যাতে নিজ নিজ সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে আলাদাভাবে প্রার্থী দিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন  যারা জামায়াতে থেকে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন, তারা রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকার রাখেন: মাহফুজ আলম।

মিয়া গোলাম পরওয়ার এই বিষয়ে আরও স্পষ্ট করে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটগত সমঝোতা বা আসন ভাগাভাগির কোনো বিষয় নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা হয়নি। বর্তমানে প্রতিটি দলই তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় এবং গতিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। জামায়াতের এই অবস্থানের ফলে স্থানীয় নির্বাচনে দলগুলোর প্রকৃত জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের সুযোগ তৈরি হবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

উল্লেখ্য যে, বিগত জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর জোটবদ্ধ অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তবে এবার এনসিপি এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করলেও তাতে দুই দলের সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মূলত সাংগঠনিক ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এই কৌশলগত অবস্থান নিয়েছে দলটি।

জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ মনে করছেন, স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বা স্বতন্ত্রভাবে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করলে তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে এটি আগামী দিনের বৃহত্তর রাজনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।