ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

সিরিয়ায় রুশ সামরিক ঘাঁটি নিয়ে নতুন আলোচনা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 503

ছবি: সংগৃহীত

 

সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলো নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মিখাইল বগদানভ জানিয়েছেন, রাশিয়া ও সিরিয়া আরও গভীর আলোচনা করবে এই বিষয়ে।

সিরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বগদানভ বলেন, “রুশ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে কোনো পরিবর্তন হয়নি, তবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।” সিরিয়ার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পর এটি ছিল বগদানভের প্রথম দামেস্ক সফর। তিনি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর এই সফরটি করেছেন।

আরও পড়ুন  ভেস্তে গেল ইসলামাবাদ শান্তি আলোচনা, চুক্তি ছাড়াই ফিরছে মার্কিন প্রতিনিধি দল

এদিকে, সিরিয়ায় রাশিয়ার উপস্থিতি রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মস্কো, দামেস্কের সঙ্গে তার সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে চায়। সামরিক ঘাঁটিগুলো সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি, রুশ সেনারা বিভিন্ন কৌশলগত এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনাগুলো সিরিয়ার ভবিষ্যত স্থিতিশীলতা এবং রাশিয়ার প্রভাব আরও বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে এই সম্পর্ক সিরিয়ার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরিয়ায় রুশ সামরিক ঘাঁটি নিয়ে নতুন আলোচনা

আপডেট সময় ০২:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫

 

সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটিগুলো নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। রাশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মিখাইল বগদানভ জানিয়েছেন, রাশিয়া ও সিরিয়া আরও গভীর আলোচনা করবে এই বিষয়ে।

সিরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বগদানভ বলেন, “রুশ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে কোনো পরিবর্তন হয়নি, তবে ভবিষ্যতে এ নিয়ে আরও আলোচনা প্রয়োজন।” সিরিয়ার পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ার পর এটি ছিল বগদানভের প্রথম দামেস্ক সফর। তিনি সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতনের পর এই সফরটি করেছেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশ-জাপান পার্টনারশিপে নতুন দিগন্ত: উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা

এদিকে, সিরিয়ায় রাশিয়ার উপস্থিতি রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মস্কো, দামেস্কের সঙ্গে তার সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে চায়। সামরিক ঘাঁটিগুলো সিরিয়ার সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি, রুশ সেনারা বিভিন্ন কৌশলগত এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই আলোচনাগুলো সিরিয়ার ভবিষ্যত স্থিতিশীলতা এবং রাশিয়ার প্রভাব আরও বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে এই সম্পর্ক সিরিয়ার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে যাচ্ছে।