ঢাকা ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

ভিক্ষা করে মাসিক আয় ৬০ হাজার টাকা!

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৪০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • / 105

ছবি: সংগৃহীত

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে নিয়ে অভিনব কায়দায় সাধারণ মানুষের সহানুভূতিকে পুঁজি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। মায়াকান্না আর দুঃখের গল্প শুনিয়ে তিনি দৈনিক প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা আয় করছেন, যার মাসিক পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৬০ হাজার টাকার মতো।

গতকাল শুক্রবার (১ মে) চরফ্যাশনের স্থানীয় বাসিন্দা রাফিজ মালতিয়া ওই বৃদ্ধের কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই বৃদ্ধ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে নিজেকে চরফ্যাশন শহরের একজন চাকরিজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন। কৌশল হিসেবে তিনি ভিক্ষাবৃত্তির কথা পরিবারের কাছে সম্পূর্ণ গোপন রেখেছেন। প্রতিদিন সকালে তিনি ধর্মীয় লেবাস—মাথায় টুপি ও গায়ে পাঞ্জাবি জড়িয়ে হোটেল থেকে বের হন এবং হাসপাতাল রোডসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ভিক্ষা করেন।

স্থানীয়দের মতে, এই বৃদ্ধের ভিক্ষা করার ধরন বেশ ভিন্ন। পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীদের, বিশেষ করে নারীদের লক্ষ্য করে করুণ কাহিনী শুনিয়ে তিনি টাকা আদায় করেন।

তবে তার বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু অভিযোগও রয়েছে:
টাকা চাওয়ার সময় তিনি যাত্রী ও পথচারীদের শরীরে স্পর্শ করে উত্যক্ত করেন।
ভিক্ষার সময় ধর্মীয় লেবাস ব্যবহার করলেও ব্যক্তিগত জীবনে তাকে নামাজ পড়তে দেখা যায় না এবং তিনি প্রকাশ্যে ধূমপান করেন।

একটি ভিডিও প্রকাশকারী চরফ্যাশনের স্থানীয় বাসিন্দা রাফিজ মালতিয়া জানান, এই বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চরফ্যাশন সদর এলাকায় সাধারণ মানুষকে বিরক্ত করে আসছেন। বিশেষ করে রিকশা বা ইজিবাইকের যাত্রীরা তার হাত থেকে নিস্তার পান না। এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ওই বৃদ্ধ নিজের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানান।

জানা যায়, এই বৃদ্ধের মূল বাড়ি বরিশালের উলানিয়া এলাকায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভিক্ষা করে মাসিক আয় ৬০ হাজার টাকা!

আপডেট সময় ১১:৪০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় ভিক্ষাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে নিয়ে অভিনব কায়দায় সাধারণ মানুষের সহানুভূতিকে পুঁজি করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। মায়াকান্না আর দুঃখের গল্প শুনিয়ে তিনি দৈনিক প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা আয় করছেন, যার মাসিক পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৬০ হাজার টাকার মতো।

গতকাল শুক্রবার (১ মে) চরফ্যাশনের স্থানীয় বাসিন্দা রাফিজ মালতিয়া ওই বৃদ্ধের কর্মকাণ্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ করলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই বৃদ্ধ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে নিজেকে চরফ্যাশন শহরের একজন চাকরিজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছেন। কৌশল হিসেবে তিনি ভিক্ষাবৃত্তির কথা পরিবারের কাছে সম্পূর্ণ গোপন রেখেছেন। প্রতিদিন সকালে তিনি ধর্মীয় লেবাস—মাথায় টুপি ও গায়ে পাঞ্জাবি জড়িয়ে হোটেল থেকে বের হন এবং হাসপাতাল রোডসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ভিক্ষা করেন।

স্থানীয়দের মতে, এই বৃদ্ধের ভিক্ষা করার ধরন বেশ ভিন্ন। পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীদের, বিশেষ করে নারীদের লক্ষ্য করে করুণ কাহিনী শুনিয়ে তিনি টাকা আদায় করেন।

তবে তার বিরুদ্ধে গুরুতর কিছু অভিযোগও রয়েছে:
টাকা চাওয়ার সময় তিনি যাত্রী ও পথচারীদের শরীরে স্পর্শ করে উত্যক্ত করেন।
ভিক্ষার সময় ধর্মীয় লেবাস ব্যবহার করলেও ব্যক্তিগত জীবনে তাকে নামাজ পড়তে দেখা যায় না এবং তিনি প্রকাশ্যে ধূমপান করেন।

একটি ভিডিও প্রকাশকারী চরফ্যাশনের স্থানীয় বাসিন্দা রাফিজ মালতিয়া জানান, এই বৃদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চরফ্যাশন সদর এলাকায় সাধারণ মানুষকে বিরক্ত করে আসছেন। বিশেষ করে রিকশা বা ইজিবাইকের যাত্রীরা তার হাত থেকে নিস্তার পান না। এমনকি জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও ওই বৃদ্ধ নিজের নাম প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানান।

জানা যায়, এই বৃদ্ধের মূল বাড়ি বরিশালের উলানিয়া এলাকায়।