ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

রূপপুর প্রকল্প, ২০২৭ সালের মধ্যে লক্ষ্য ১২০০ মেগাওয়াট

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 90

ছবি সংগৃহীত

 

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের পথে এক বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অন্তত ৪৫ দিন সময় লাগবে। এর মাধ্যমেই বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশগুলোর অভিজাত তালিকায় নাম লেখালো বাংলাদেশ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হওয়ার তিন মাসের মাথায় অর্থাৎ আগামী আগস্ট মাসের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে প্রাথমিকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। পর্যায়ক্রমে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলারের সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই মুহূর্তটিকে দেশের জ্বালানি খাতের জন্য ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান শৌকত আকবর জানান, ইউরেনিয়াম লোডিং হলো প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যার মাধ্যমে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ বা চেইন রিঅ্যাকশনের সূচনা ঘটে। এটিই বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল ভিত্তি।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ৫৯ জন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়ে অপারেটিং লাইসেন্স পেয়েছেন। ধাপে ধাপে প্রকল্পের পুরো দায়িত্ব এই দেশীয় বিশেষজ্ঞদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর তীরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আমদানিকৃত ব্যয়বহুল জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ হবে।

আজকের এই জ্বালানি লোডিং অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা ‘রোসাটম’-এর মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভসহ আইএইএ-র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

রূপপুর প্রকল্প, ২০২৭ সালের মধ্যে লক্ষ্য ১২০০ মেগাওয়াট

আপডেট সময় ১২:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

 

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উৎপাদনের পথে এক বিশাল মাইলফলক স্পর্শ করল বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে অন্তত ৪৫ দিন সময় লাগবে। এর মাধ্যমেই বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশগুলোর অভিজাত তালিকায় নাম লেখালো বাংলাদেশ।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হওয়ার তিন মাসের মাথায় অর্থাৎ আগামী আগস্ট মাসের মধ্যেই জাতীয় গ্রিডে প্রাথমিকভাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হবে। পর্যায়ক্রমে উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পূর্ণ সক্ষমতায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলারের সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এই মুহূর্তটিকে দেশের জ্বালানি খাতের জন্য ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান শৌকত আকবর জানান, ইউরেনিয়াম লোডিং হলো প্রকল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যার মাধ্যমে ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’ বা চেইন রিঅ্যাকশনের সূচনা ঘটে। এটিই বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল ভিত্তি।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে ৫৯ জন বাংলাদেশি বিশেষজ্ঞ আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়ে অপারেটিং লাইসেন্স পেয়েছেন। ধাপে ধাপে প্রকল্পের পুরো দায়িত্ব এই দেশীয় বিশেষজ্ঞদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীর তীরে ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই প্রকল্পে দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে আমদানিকৃত ব্যয়বহুল জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে এবং দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ হবে।

আজকের এই জ্বালানি লোডিং অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা ‘রোসাটম’-এর মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভসহ আইএইএ-র প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।