ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার সামান্যই দেখিয়েছে ইরান; পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৫:৩০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 97

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের উত্তেজনার মধ্যেই বড় ধরণের সমর সক্ষমতার দাবি করেছে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, সাম্প্রতিক সামরিক মহড়া বা সংঘাতে তেহরান তাদের হাতে থাকা বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের মাত্র একটি ক্ষুদ্র অংশ ব্যবহার করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের মূল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এখনো সম্পূর্ণ অক্ষত ও অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন, ইরান এখন উচ্চপর্যায়ের রক্ষণাত্মক অবস্থানের পাশাপাশি যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরণের পাল্টা আঘাত হানার জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।

মুখপাত্র রেজা তালাই-নিকের দেওয়া তথ্যমতে, ইরান বর্তমানে সম্পূর্ণ নিজস্ব বা দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১ হাজারেরও বেশি ধরণের আধুনিক সমরাস্ত্র উৎপাদন করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা এই অস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত। এই কৌশলী বিকেন্দ্রীকরণের কারণে কোনো নির্দিষ্ট স্থাপনা বা কারখানা শত্রুর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সামগ্রিক অস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়া থমকে যাবে না।

আরও পড়ুন  যুক্তরাষ্ট্রকে ভেনেজুয়েলার হুঁশিয়ারি: “আমাদের হাতে ৫ হাজার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র”

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালি নিয়েও নিজেদের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে তেহরান। মুখপাত্রের মতে, এই প্রণালিটি বর্তমানে ইরানের জন্য ‘নিয়ন্ত্রণের প্রধান হাতিয়ার’। এই জলপথের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইরান পার্শ্ববর্তী জলসীমার পরিস্থিতির ওপর সরাসরি প্রভাব বিস্তার করছে এবং এটিকেই তারা প্রধান কৌশলগত চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যবহার করছে।

ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সাথে উত্তেজনার এই চরম মুহূর্তে ইরান নিজেদের সমরশক্তি ও ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে এক বিস্তৃত পাল্টা যুদ্ধের পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার সামান্যই দেখিয়েছে ইরান; পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৫:৩০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের উত্তেজনার মধ্যেই বড় ধরণের সমর সক্ষমতার দাবি করেছে ইরান। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, সাম্প্রতিক সামরিক মহড়া বা সংঘাতে তেহরান তাদের হাতে থাকা বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারের মাত্র একটি ক্ষুদ্র অংশ ব্যবহার করেছে। ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানের মূল ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার এখনো সম্পূর্ণ অক্ষত ও অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন, ইরান এখন উচ্চপর্যায়ের রক্ষণাত্মক অবস্থানের পাশাপাশি যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরণের পাল্টা আঘাত হানার জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।

মুখপাত্র রেজা তালাই-নিকের দেওয়া তথ্যমতে, ইরান বর্তমানে সম্পূর্ণ নিজস্ব বা দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১ হাজারেরও বেশি ধরণের আধুনিক সমরাস্ত্র উৎপাদন করছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পুরো দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা এই অস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত। এই কৌশলী বিকেন্দ্রীকরণের কারণে কোনো নির্দিষ্ট স্থাপনা বা কারখানা শত্রুর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সামগ্রিক অস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়া থমকে যাবে না।

আরও পড়ুন  ইরানে সহিংস দাঙ্গা: বিশেষ বাহিনী মোতায়েনের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হরমুজ প্রণালি নিয়েও নিজেদের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে তেহরান। মুখপাত্রের মতে, এই প্রণালিটি বর্তমানে ইরানের জন্য ‘নিয়ন্ত্রণের প্রধান হাতিয়ার’। এই জলপথের ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইরান পার্শ্ববর্তী জলসীমার পরিস্থিতির ওপর সরাসরি প্রভাব বিস্তার করছে এবং এটিকেই তারা প্রধান কৌশলগত চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যবহার করছে।

ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সাথে উত্তেজনার এই চরম মুহূর্তে ইরান নিজেদের সমরশক্তি ও ভৌগোলিক অবস্থানের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে এক বিস্তৃত পাল্টা যুদ্ধের পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।