ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

ভারত মহাসাগর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 104

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াতে বিশাল বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রণতরীটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বিশাল এই যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের বুক চিরে তার নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি ইতিমধ্যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপূর্ণ সামরিক এলাকায় (এওআর) প্রবেশ করেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই মোতায়েন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-ইসরায়েল সংকটের এই সময়ে মার্কিন এই রণতরীর উপস্থিতি ওয়াশিংটনের প্রভাব ও শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  কাশ্মীরে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনায় ভূপাতিত হয়েছিল ৫টি যুদ্ধবিমান: দাবি ট্রাম্পের

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় আগে থেকেই মার্কিন বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ সেখানে থাকা জাহাজগুলোর বহরে যোগ দেবে, নাকি অন্য কোনো রণতরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করবে—সে বিষয়ে সেন্টকমের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মার্কিন এই সুপারক্যারিয়ারটি কয়েক হাজার নৌসেনা এবং কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম, যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় মার্কিন আধিপত্য আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত মহাসাগর দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পথে মার্কিন রণতরী

আপডেট সময় ০১:০৭:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াতে বিশাল বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ মোতায়েন করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে এবং দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেন্টকমের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) রণতরীটির একটি ছবি শেয়ার করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, বিশাল এই যুদ্ধজাহাজটি ভারত মহাসাগরের বুক চিরে তার নির্ধারিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি ইতিমধ্যে সেন্ট্রাল কমান্ডের দায়িত্বপূর্ণ সামরিক এলাকায় (এওআর) প্রবেশ করেছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য ও তৎসংলগ্ন অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৌশলগত স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অংশ হিসেবে এই মোতায়েন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও পারস্য উপসাগরে চলমান অস্থিরতা এবং ইরান-ইসরায়েল সংকটের এই সময়ে মার্কিন এই রণতরীর উপস্থিতি ওয়াশিংটনের প্রভাব ও শক্তিমত্তার জানান দিচ্ছে।

আরও পড়ুন  মার্কিন গাড়ি শিল্পে স্বস্তি আনতে শুল্ক হ্রাসের পথে ট্রাম্প প্রশাসন

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় আগে থেকেই মার্কিন বেশ কিছু যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ সেখানে থাকা জাহাজগুলোর বহরে যোগ দেবে, নাকি অন্য কোনো রণতরীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব পালন করবে—সে বিষয়ে সেন্টকমের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এটি মার্কিন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

মার্কিন এই সুপারক্যারিয়ারটি কয়েক হাজার নৌসেনা এবং কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম, যা মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ ও সমুদ্রসীমায় মার্কিন আধিপত্য আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।