ঢাকা ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

লোডশেডিংয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল রাখতে বিটিআরসি’র জরুরি বৈঠক আজ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৪৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 94

ছবি: সংগৃহীতর

বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের মোবাইল ফোন সেবা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার উপায় খুঁজতে মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

আজ বুধবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি), মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন এবং টাওয়ারকো অপারেটরদের অংশগ্রহণে এই যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশজুড়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মোবাইল টাওয়ার ও ডেটাসেন্টারগুলো সচল রাখতে বর্তমানে জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা বহুগুণ বেড়েছে। তবে একই সময়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের ফলে জেনারেটর চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অপারেটররা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে যেকোনো সময় দেশব্যাপী মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা অচল হয়ে যেতে পারে। এমন প্রেক্ষাপটে টাওয়ার কোম্পানিগুলো টেলিকম অবকাঠামোকে ‘জরুরি সেবা’ হিসেবে গণ্য করার দাবি জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  বিগ–বি প্রকল্পে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের

বিটিআরসি জানিয়েছে, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট ও সার্ভারগুলো সচল রাখতে তারা ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। গত ১২ ও ১৩ মার্চ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকদের কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া টাওয়ার সাইটগুলোতে জ্বালানি পরিবহন এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চেয়ে গত ২০ এপ্রিল পুনরায় চিঠি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

এদিকে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পিজিসিবি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিটিআরসি’র আরেকটি নীতি-নির্ধারণী সভা হওয়ার কথা রয়েছে। বিটিআরসি’র বার্তায় বলা হয়েছে, বর্তমান জাতীয় পরিস্থিতিতে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা অপরিহার্য। লোডশেডিংমুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে ডিজিটাল সেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।

টেলিকম টাওয়ার কোম্পানিগুলোর সংগঠন ‘বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন’ (বিটিএ) জানিয়েছে, বর্তমানে সারাদেশে ৪৫ হাজারের বেশি টাওয়ার রয়েছে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে এসব অবকাঠামো অচল হয়ে পড়লে কোটি কোটি গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়বেন। বিটিএ’র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সুনীল আইজ্যাক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সেবা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে। এই খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় একে বিশেষ ক্যাটাগরির সেবা হিসেবে ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

লোডশেডিংয়ে মোবাইল নেটওয়ার্ক সচল রাখতে বিটিআরসি’র জরুরি বৈঠক আজ

আপডেট সময় ১০:৪৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যমান জ্বালানি সংকটের প্রভাবে দেশের মোবাইল ফোন সেবা বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখার উপায় খুঁজতে মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসছে টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

আজ বুধবার বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি), মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন এবং টাওয়ারকো অপারেটরদের অংশগ্রহণে এই যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশজুড়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে মোবাইল টাওয়ার ও ডেটাসেন্টারগুলো সচল রাখতে বর্তমানে জেনারেটরের ওপর নির্ভরতা বহুগুণ বেড়েছে। তবে একই সময়ে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের ফলে জেনারেটর চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অপারেটররা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে যেকোনো সময় দেশব্যাপী মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবা অচল হয়ে যেতে পারে। এমন প্রেক্ষাপটে টাওয়ার কোম্পানিগুলো টেলিকম অবকাঠামোকে ‘জরুরি সেবা’ হিসেবে গণ্য করার দাবি জানিয়েছে।

আরও পড়ুন  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিটিআরসি জানিয়েছে, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট ও সার্ভারগুলো সচল রাখতে তারা ইতিমধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছে। গত ১২ ও ১৩ মার্চ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকদের কাছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এছাড়া টাওয়ার সাইটগুলোতে জ্বালানি পরিবহন এবং রক্ষণাবেক্ষণ কাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা চেয়ে গত ২০ এপ্রিল পুনরায় চিঠি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

এদিকে, আগামীকাল বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ও পিজিসিবি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিটিআরসি’র আরেকটি নীতি-নির্ধারণী সভা হওয়ার কথা রয়েছে। বিটিআরসি’র বার্তায় বলা হয়েছে, বর্তমান জাতীয় পরিস্থিতিতে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা অপরিহার্য। লোডশেডিংমুক্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না গেলে ডিজিটাল সেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে।

টেলিকম টাওয়ার কোম্পানিগুলোর সংগঠন ‘বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন’ (বিটিএ) জানিয়েছে, বর্তমানে সারাদেশে ৪৫ হাজারের বেশি টাওয়ার রয়েছে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে এসব অবকাঠামো অচল হয়ে পড়লে কোটি কোটি গ্রাহক ভোগান্তিতে পড়বেন। বিটিএ’র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সুনীল আইজ্যাক উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সেবা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মুখে। এই খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় একে বিশেষ ক্যাটাগরির সেবা হিসেবে ঘোষণা করা এখন সময়ের দাবি।