ঢাকা ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

শান্তি আলোচনা করতে আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে যাচ্ছেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 80

ছবি সংগৃহীত

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সংঘাতের আবহেও দেশটির সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, শান্তি আলোচনার জন্য তাঁর প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, “আমার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। আগামীকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় তাঁরা সেখানে পৌঁছাবেন। আমরা একটি অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব দিচ্ছি এবং আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে।”

আরও পড়ুন  পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালো আসিফ নজরুল

তবে আলোচনার পাশাপাশি কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইরান যদি এই প্রস্তাব গ্রহণ না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতু ধ্বংস করে দেবে। আলোচনা ব্যর্থ হলে তেহরানের সঙ্গে “ভদ্র আচরণের দিন শেষ” হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হবে অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজে।

অন্যদিকে, এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ট্রাম্প তাঁকে বলেছেন, “চুক্তিটি হবেই—সহজভাবে হোক বা কঠিনভাবে।”

সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার জন্য পাকিস্তানকে ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া এবং একই সাথে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া ট্রাম্পের চিরাচরিত ‘প্রেশার ট্যাকটিক’ বা চাপ সৃষ্টির রাজনীতিরই অংশ। উল্লেখ্য, এই উত্তেজনার মাঝেই উত্তর কোরিয়াও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

বিবিসি ও আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সমাপ্তি নাকি আরও বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

শান্তি আলোচনা করতে আমার প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে যাচ্ছেন: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৭:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

 

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সংঘাতের আবহেও দেশটির সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, শান্তি আলোচনার জন্য তাঁর প্রতিনিধি দল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছে।

ট্রাম্প তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, “আমার প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। আগামীকাল (সোমবার) সন্ধ্যায় তাঁরা সেখানে পৌঁছাবেন। আমরা একটি অত্যন্ত ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত প্রস্তাব দিচ্ছি এবং আমি আশা করি তারা এটি গ্রহণ করবে।”

আরও পড়ুন  খেলাধুলা হতে পারে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন: পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি

তবে আলোচনার পাশাপাশি কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইরান যদি এই প্রস্তাব গ্রহণ না করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতু ধ্বংস করে দেবে। আলোচনা ব্যর্থ হলে তেহরানের সঙ্গে “ভদ্র আচরণের দিন শেষ” হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এই ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হবে অত্যন্ত দ্রুত এবং সহজে।

অন্যদিকে, এবিসি নিউজের সাংবাদিক জোনাথন কার্ল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ট্রাম্প তাঁকে বলেছেন, “চুক্তিটি হবেই—সহজভাবে হোক বা কঠিনভাবে।”

সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হলো। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার জন্য পাকিস্তানকে ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া এবং একই সাথে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়া ট্রাম্পের চিরাচরিত ‘প্রেশার ট্যাকটিক’ বা চাপ সৃষ্টির রাজনীতিরই অংশ। উল্লেখ্য, এই উত্তেজনার মাঝেই উত্তর কোরিয়াও ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে, যা বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

বিবিসি ও আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসলামাবাদের এই আলোচনার ওপরই নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সমাপ্তি নাকি আরও বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা হবে।