ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রীয় শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 113

ছবি সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি ও সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই বাহিনী কোনো বিশেষ ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের সম্পদ নয়।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বাহিনীর পেশাদারিত্ব, সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করাই প্রতিটি সদস্যের পবিত্র দায়িত্ব এবং পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করার সুযোগ নেই।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের আদর্শিক অবস্থান সুদৃঢ় রাখার আহ্বান জানান। তিনি এমন একটি বাহিনীর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন, যাকে বহিঃশক্তি সমীহ করবে এবং দেশের সাধারণ মানুষ পরম ভরসার স্থল হিসেবে বিবেচনা করবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, দেশপ্রেমের যে চেতনা তিনি বাহিনীর প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা যেন সবসময় সমুজ্জ্বল থাকে। রাষ্ট্রীয় সংবিধানের প্রতি অনুগত থেকে জনগণের আস্থা অর্জনকেই সশস্ত্র বাহিনীর পথচলার মূল ভিত্তি হিসেবে তিনি চিহ্নিত করেন।

বিগত বছরগুলোর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক সংকটের সময় সশস্ত্র বাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিরসনে বাহিনীর সদস্যদের অবদানের কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময়ে শিল্পাঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সশস্ত্র বাহিনী যে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে, তা দেশের জনগণকে আশান্বিত করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  নদী-খাল দখল রোধে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর: মনিটরিং সেল গঠনের ঘোষণা

এছাড়া, গত ১২ ফেব্রুয়ারির একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর দেওয়া সহায়তাকে গণতন্ত্রের প্রতি তাদের গভীর বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে চক্রান্তের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
ওই নৃশংস ঘটনার মাধ্যমে বাহিনীর যে অপূরণীয় ক্ষতি করা হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠে পেশাদারিত্বের সুউচ্চ শিখরে আরোহণ করাই এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সশস্ত্র বাহিনী রাষ্ট্রীয় শক্তি ও মর্যাদার প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৪:২৫:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের শক্তি ও সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে উল্লেখ করে বলেছেন, এই বাহিনী কোনো বিশেষ ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের সম্পদ নয়।
রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বাহিনীর পেশাদারিত্ব, সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং জনগণের আস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করাই প্রতিটি সদস্যের পবিত্র দায়িত্ব এবং পেশাদারিত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করার সুযোগ নেই।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের আদর্শিক অবস্থান সুদৃঢ় রাখার আহ্বান জানান। তিনি এমন একটি বাহিনীর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন, যাকে বহিঃশক্তি সমীহ করবে এবং দেশের সাধারণ মানুষ পরম ভরসার স্থল হিসেবে বিবেচনা করবে।
এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, দেশপ্রেমের যে চেতনা তিনি বাহিনীর প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তা যেন সবসময় সমুজ্জ্বল থাকে। রাষ্ট্রীয় সংবিধানের প্রতি অনুগত থেকে জনগণের আস্থা অর্জনকেই সশস্ত্র বাহিনীর পথচলার মূল ভিত্তি হিসেবে তিনি চিহ্নিত করেন।

বিগত বছরগুলোর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রশাসনিক সংকটের সময় সশস্ত্র বাহিনীর ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিরসনে বাহিনীর সদস্যদের অবদানের কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পুরো সময়ে শিল্পাঞ্চল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ স্থবির হয়ে পড়া অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সশস্ত্র বাহিনী যে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে, তা দেশের জনগণকে আশান্বিত করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন  প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সফর: নিজ জেলা বগুড়ায় তারেক রহমান

এছাড়া, গত ১২ ফেব্রুয়ারির একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তী সরকারকে সশস্ত্র বাহিনীর দেওয়া সহায়তাকে গণতন্ত্রের প্রতি তাদের গভীর বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মতো স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিভিন্ন সময়ে চক্রান্তের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
ওই নৃশংস ঘটনার মাধ্যমে বাহিনীর যে অপূরণীয় ক্ষতি করা হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠে পেশাদারিত্বের সুউচ্চ শিখরে আরোহণ করাই এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।