ভারতের সঙ্গে ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা, স্বার্থবিরোধী হলে বাতিল: চিফ হুইপ
- আপডেট সময় ০৩:১০:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 30
শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে বর্তমান সরকার। এসব চুক্তির কোনোটি বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হলে তা বাতিল বা প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় সরকার। তবে দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কোনো বন্ধুত্বই বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যেতে দেওয়া হবে না।
তিনি জানান, আগের সরকারের সময়ে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করে স্বার্থবিরোধী বিষয় চিহ্নিত করা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে এসব চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসা বা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আগের সময়ে এমন কিছু ব্যবস্থা করা হয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশের জাহাজের চেয়ে বন্ধুদেশের জাহাজকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুযোগ ছিল। এ ধরনের বিষয়ও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
এদিকে ভারতের আয়োজনে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ না জানানোর বিষয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন চিফ হুইপ।
তিনি আরও জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর গত পাঁচ মাসে আগের সরকারের রেখে যাওয়া ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে বর্তমান সরকার।
সংসদের তৃতীয় অধিবেশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নয় কার্যদিবসের এ অধিবেশনে ছয়টি বিল পাস হয়েছে। সংসদ সদস্যদের ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১২৪টি নোটিশের ওপর আলোচনা এবং ৩৫টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন করা হয়েছে।
চিফ হুইপ আরও বলেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই; চাহিদার তুলনায় ১৬ লাখ মেট্রিক টন বেশি সার মজুদ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সময় লাগবে বলেও জানান তিনি।
জুলাই সনদ সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন নূরুল ইসলাম মনি।






















