ঢাকা ০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশীকে স্বামীর ফোন!

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:০১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 173

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিজ স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশীকে ফোন করে অনুরোধ জানিয়েছেন ঘাতক স্বামী। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝর্ণা আক্তার (১৬) নামে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত ঝর্ণা আক্তার স্থানীয় হামিদুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে পরিবারের অমতে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর থেকেই তারা জংলাপাড়া এলাকায় মাসুদ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। অপুর পেশা ছিল মিনিবাস চালক। পরিবারের অমতে বিয়ে করায় ঝর্ণার সঙ্গে তার বাবা-মায়ের যোগাযোগ ছিল না বললেই চলে।

বাড়ির মালিক লাভলী আক্তার জানান, শনিবার সন্ধ্যায় ঘাতক স্বামী অপু তাদের পূর্বের বাড়ির প্রতিবেশী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে কল দেয়। সে তানিয়াকে জানায় যে, সে ঝর্ণাকে হত্যা করেছে এবং তানিয়া যেন দ্রুত গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তানিয়া সাথে সাথে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানালে তারা পুলিশে খবর দেন।

আরও পড়ুন  কুপিয়ে ও পিটিয়ে তাঁতি দল নেতাকে হত্যা

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের তালা ভেঙে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পর থেকে ঘাতক স্বামী অপু পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

স্ত্রীকে হত্যার পর লাশ উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশীকে স্বামীর ফোন!

আপডেট সময় ০২:০১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুরে নিজ স্ত্রীকে হত্যার পর মরদেহ উদ্ধারের জন্য প্রতিবেশীকে ফোন করে অনুরোধ জানিয়েছেন ঘাতক স্বামী। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার বেড়াইদেরচালা গ্রামের জংলাপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ঝর্ণা আক্তার (১৬) নামে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত ঝর্ণা আক্তার স্থানীয় হামিদুল ইসলামের মেয়ে। দুই বছর আগে পরিবারের অমতে অপু নামে এক যুবককে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর থেকেই তারা জংলাপাড়া এলাকায় মাসুদ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। অপুর পেশা ছিল মিনিবাস চালক। পরিবারের অমতে বিয়ে করায় ঝর্ণার সঙ্গে তার বাবা-মায়ের যোগাযোগ ছিল না বললেই চলে।

বাড়ির মালিক লাভলী আক্তার জানান, শনিবার সন্ধ্যায় ঘাতক স্বামী অপু তাদের পূর্বের বাড়ির প্রতিবেশী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে কল দেয়। সে তানিয়াকে জানায় যে, সে ঝর্ণাকে হত্যা করেছে এবং তানিয়া যেন দ্রুত গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে। তানিয়া সাথে সাথে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানালে তারা পুলিশে খবর দেন।

আরও পড়ুন  অস্ট্রেলিয়ায় বিষাক্ত মাশরুম খাইয়ে শ্বশুর-শাশুড়ি হত্যা, গৃহবধূ দোষী সাব্যস্ত

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাছির আহমদ বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের তালা ভেঙে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার পর থেকে ঘাতক স্বামী অপু পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।