ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

‘সিনেমাটি ভালো, দেখতে পারেন সবাই’: সপরিবারে প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 191

ছবি সংগৃহীত

 

ঈদের সিনেমা দেখতে সপরিবারে প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যা নিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটির দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার শপিং মলে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে যান তিনি। তার সাথে ছিলেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। দেশের শীর্ষ নেতার এভাবে সাধারণ দর্শকদের মাঝে উপস্থিত হয়ে সিনেমা দেখার বিষয়টি নেটিজেন ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রধানমন্ত্রীর সিনেমা দেখতে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুরুতে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, তিনি ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত বাংলা সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে গিয়েছেন।
স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি সূত্র জানায়, সেদিন দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই সিনেমার বেশ কিছু টিকিট সংগ্রহ করা হয়েছিল। সিনেমার অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনও প্রধানমন্ত্রীর প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হওয়ার একটি ভিডিও শেয়ার করায় ভক্তরা ধরে নিয়েছিলেন তিনি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-ই দেখেছেন। প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা সিনেমা কেমন লেগেছে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী হাস্যোজ্জ্বল মুখে উত্তর দেন, ‘ভালো ছিল, দেখতে পারেন সবাই।’

আরও পড়ুন  মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘স্পারসো’ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

তবে পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমান মূলত হলিউডের সায়েন্স ফিকশন ঘরানার সিনেমা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ উপভোগ করতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এভাবে সশরীরে টিকিট কেটে সিনেমা দেখার ঘটনাটিকে সাধারণ দর্শক ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এটি দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্প ও প্রেক্ষাগৃহ সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক একটি বার্তা এবং এটি এই শিল্পকে ভবিষ্যতে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘সিনেমাটি ভালো, দেখতে পারেন সবাই’: সপরিবারে প্রেক্ষাগৃহে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

 

ঈদের সিনেমা দেখতে সপরিবারে প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যা নিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটির দিন সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডির সীমান্ত সম্ভার শপিং মলে অবস্থিত স্টার সিনেপ্লেক্সে যান তিনি। তার সাথে ছিলেন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। দেশের শীর্ষ নেতার এভাবে সাধারণ দর্শকদের মাঝে উপস্থিত হয়ে সিনেমা দেখার বিষয়টি নেটিজেন ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রধানমন্ত্রীর সিনেমা দেখতে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শুরুতে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল যে, তিনি ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত বাংলা সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ দেখতে গিয়েছেন।
স্টার সিনেপ্লেক্সের একটি সূত্র জানায়, সেদিন দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই সিনেমার বেশ কিছু টিকিট সংগ্রহ করা হয়েছিল। সিনেমার অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনও প্রধানমন্ত্রীর প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হওয়ার একটি ভিডিও শেয়ার করায় ভক্তরা ধরে নিয়েছিলেন তিনি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-ই দেখেছেন। প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা সিনেমা কেমন লেগেছে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী হাস্যোজ্জ্বল মুখে উত্তর দেন, ‘ভালো ছিল, দেখতে পারেন সবাই।’

আরও পড়ুন  ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী

তবে পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার কন্যা জাইমা রহমান মূলত হলিউডের সায়েন্স ফিকশন ঘরানার সিনেমা ‘প্রোজেক্ট হেইল মেরি’ উপভোগ করতে প্রেক্ষাগৃহে গিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর এভাবে সশরীরে টিকিট কেটে সিনেমা দেখার ঘটনাটিকে সাধারণ দর্শক ও চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এটি দেশীয় চলচ্চিত্র শিল্প ও প্রেক্ষাগৃহ সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক একটি বার্তা এবং এটি এই শিল্পকে ভবিষ্যতে আরও অনুপ্রাণিত করবে।